Showing posts with label জনপ্রিয় খবর. Show all posts
Showing posts with label জনপ্রিয় খবর. Show all posts
বাংলাদেশের উপর হানা দিয়েছে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়!

বাংলাদেশের উপর হানা দিয়েছে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়!


ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার বাতাসের গতিবেগ নিয়ে বাংলাদেশ উপকূলে উঠে এসেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফান৷ দেশের কিছু অংশে ভয়াবহ ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার দুপুরের পর বঙ্গোপসাগরের পূর্বদিকে সুন্দরবন ঘেঁষে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আছড়ে পড়ে৷ স্থলভাগে উঠে আসার প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় তাণ্ডব চালাতে চালাতে আমফান বাংলাদেশ উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়৷

ঘূর্ণিঝড় আমফান বিকাল ৫টার দিকে উপকূলের বাংলাদেশ অংশে পৌঁছায় বলে জানান আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান৷ বলেন, এটি ভারতের সাগারদ্বীপের পাশ দিয়ে সুন্দরবন ঘেঁষে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ভূভাগে উঠে আসে৷

ওই সময় এর কেন্দ্রের কাছে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝেড়ো হাওয়ার আকারে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল৷

ঘূর্ণিঝড় আমফানের ব্যস প্রায় ৪০০ কিলোমিটার জানিয়ে মান্নান বলেন, ‘‘পুরোপুরি স্থলভাবে উঠে আসতে এটির ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে৷ এর প্রভাবে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ভারী বর্ষণ হতে পারে৷’’

স্থলভাগে উঠে আসার পর বৃষ্টি ঝরিয়ে আমফানের শক্তিক্ষয় শুরু হলেও এখনো গতি কমেনি৷ গত ১৬ মে নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়া আমফান এক পর্যায়ে শক্তি বাড়িয়ে সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়েছিল৷ বঙ্গোপসাগরের এ শতাব্দীর প্রথম সুপার সাইক্লোন ছিল এটি৷ কিন্তু উপকূলের দিকে ধেয়ে আসতে আসতে কিছুটা শক্তি হারিয়ে তা আবার অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়৷

ভারতীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে আমফান পশ্চিমবঙ্গের দিঘার কাছাকাছি এলাকা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করা শুরু করে৷ সে সময় এর অবস্থান ছিল ভারতের সাগরদ্বীপ থেকে ৩৫ কিলোমিটার, দিঘা থেকে ৬৫ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ২২৫ কিলোমিটার দূরে৷

এদিকে, আমফানের প্রভাবে ঝড়ো বাতাসে ভোলায় গাছ চাপায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷

ছিদ্দিক ফকির (৭০) নামের ওই বৃদ্ধ মোটরসাইকেল ভাড়া করে বয়স্ক ভাতা তুলতে যাচ্ছিলেন৷ পথে গাছ ভেঙে তার উপর পড়ে৷ গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে তার মৃত্যু হয়৷

আমফানের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি হওয়ায় পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বলেশ্বর নদের মাঝের চরে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয় ও ফসলের মাঠ পানিতে তলিয়ে গেছে৷

পাশের জেলা বরগুনার তিনটি প্রধান নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে৷ স্বাভাবিকের তুলনায় নদীর পানি অন্তত ৬/৭ ফুট বেড়ে গেছে৷ নোয়াখালীতে ‘অস্বাভাবিক জোয়ারে’ বেড়িবাঁধ ভেঙে পাঁচ শতাধিক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে৷

আমফান বাংলাদেশে আঘাত হানার আগেই উপকূলের বিপদজনক এলাকা থেকে প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়৷ কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে উপকূলীয় এলাকার স্কুল-কলেজ ভবনও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে৷ পাঁচ লাখের বেশি গাবাদীপশুকেও নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে৷

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার মধ্যে ভয়াবহ ঝড়ের সংবাদ পাওয়া গেছে। এলাকার মানুষের মুখে একটাই কথা, “এরকম ঝড় আগে কখনো দেখেনি”।

ঘূর্ণিঝড় দুর্গতদের সাহায্যে স্বাস্থ্যকর্মীদের এক হাজার ৯৩৩টি দল কাজ করছে বলে জানায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়৷
তালিকা সংশোধন: সরকারী সহায়তার ২৫০০ টাকা পাঠানোর নতুন তালিকা

তালিকা সংশোধন: সরকারী সহায়তার ২৫০০ টাকা পাঠানোর নতুন তালিকা


করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র ৫০ লাখ পরিবারকে নগদ আড়াই হাজার টাকা করে দেয়ার জন্য সোমবার মোট ১ হাজার ২৫৭ কোটি ছাড় করা হয়েছে। এ কার্যক্রমটা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেখভাল করা হচ্ছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুকূলে অর্থ বিভাগ এ টাকা ছাড় করেছে। অর্থ বিভাগের বাজেট-১ শাখা থেকে ছাড় করা হয়েছে ৬২৭ কোটি টাকা, আর বাজেট-৩ শাখা থেকে ছাড় করা হয়েছে ৬৩০ কোটি টাকা। এসব টাকা সুবিধাভোগীদের মোবাইল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ ছাড় করা হয়েছে আরও সাত কোটি টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমন বলেন, আজকে অর্থছাড় করা হয়েছে। আগামী ১৪ তারিখ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর ১০ লাখ পরিবারকে এ অর্থ দেয়া হবে। এর পরবর্তী চার দিন ৪০ লাখ পরিবারকে এ অর্থ দেয়া হবে।

কিন্তু এই ২৫০০ টাকা করে দেওয়া ঈদ উপহার নিয়ে শোনা যাচ্ছে নানা দূর্ণীতির অভিযোগ। এ টাকা সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টে যাওয়ার কারনে ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা একই নম্বর ৩০/৪০ বার করে দিয়ে গরীবের টাকা হাতানোর পায়তারা করছিলেন।

সে কারণে তালিকায় থাকা ৮ লক্ষ নম্বর বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ১৬ই মে শনিবার রাত নয়টায় এ ঘোষনা দেয়া হয়।

জানা গেছে, তালিকায় থাকা ৮ লক্ষ মোবাইল নম্বর একাধিকবার বসানো হয়েছে এ কারণে তালিকাটি বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে। তথ্যটি জানিয়েছেন দূর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী। তিনি আরো জানান, তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে, যারা টাকা পাননি তাদের ব্যাংক একাউন্টে টাকা চলে যাবে।
সরকারী সহায়তার ২৫০০ টাকা কারা পাবেন দেখে নিন!

সরকারী সহায়তার ২৫০০ টাকা কারা পাবেন দেখে নিন!


করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র মানুষের জন্য নগদ সহায়তায় অর্থ ছাড় করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের এককালীন দুই হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। সারাদেশের মোট ৫০ লাখ ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র পরিবারকে এ সহায়তা দেওয়া হবে। এতে সরকারের মোট খরচ হবে এক হাজার ২৭৫ কোটি টাকা।

সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয় ওই অর্থ ছাড় করেছে। অর্থ মন্ত্রণালায় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। রোজার ঈদের আগ পর্যন্ত এই টাকা দেওয়া হবে সুবিধাভোগীদের। তাদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা চলে যাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ৫০ লাখ পরিবারকে নগদ আড়াই হাজার টাকা করে দেয়ার জন্য সোমবার মোট ১ হাজার ২৫৭ কোটি ছাড় করা হয়েছে। এ কার্যক্রমটা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেখভাল করা হচ্ছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুকূলে অর্থ বিভাগ এ টাকা ছাড় করেছে। অর্থ বিভাগের বাজেট-১ শাখা থেকে ছাড় করা হয়েছে ৬২৭ কোটি টাকা, আর বাজেট-৩ শাখা থেকে ছাড় করা হয়েছে ৬৩০ কোটি টাকা। এসব টাকা সুবিধাভোগীদের মোবাইল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ ছাড় করা হয়েছে আরও সাত কোটি টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমন বলেন, আজকে অর্থছাড় করা হয়েছে। আগামী ১৪ তারিখ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর ১০ লাখ পরিবারকে এ অর্থ দেয়া হবে। এর পরবর্তী চার দিন ৪০ লাখ পরিবারকে এ অর্থ দেয়া হবে।

জানা গেছে, উদ্যোগটির সঙ্গে জড়িত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। আর পরিবার চিহ্নিত করা হয়েছে স্থানীয় সরকার অর্থাৎ জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের সাহায্যে। তালিকায় রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকসহ পরিবহন শ্রমিক, হকারসহ নানা পেশার মানুষকে রাখা হয়েছে।

সূত্র জানায়, সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সহায়তায় দরিদ্র জনগোষ্ঠী বর্তমানে যেসব সহায়তা পাচ্ছে, তারা নগদ সহায়তা পাবে না। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহায়তায় ইতোমধ্যে টাঙ্গাইল জেলায় একটা মডেল দাঁড় করানো হয়েছে। সেই মডেল অনুসরণ করেই করা হয়েছে সুবিধাভোগীদের তালিকা। কত পরিবারকে নগদ টাকা দেওয়া হবে, এ জন্য জেলাভিত্তিক কোটাও বেঁধে দেওয়া হয়। তবে সিটি করপোরেশনের তালিকা করা হয়েছে বিভাগীয় কমিশনারদের তত্ত্বাবধানে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পরিবারগুলোকে টাকা দেয়া হবে মূলত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (MFS) মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে বিকাশ, রকেট, নগদ এবং শিওরক্যাশ অর্থাৎ নগদ সহায়তা হলেও কাউকে নগদে টাকা দেয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে MFS এ বড় আকারের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে সরকারকে। টাকা পৌঁছানোর জন্য MFS গুলো পাবে প্রতি হাজারে মাত্র ছয় টাকা। হাজারে ছয় টাকা হিসাবেই পৌঁছানোর মোট খরচ দাঁড়ায় সাড়ে সাত কোটি টাকা। এ টাকা সরকার বহন করবে। পরিবারগুলোর কোনো টাকা দিতে হবে না। এ কারণে খরচের জন্য আলাদাভাবে সাত কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

মোট ৫০ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর কাজের মধ্যে বিকাশের ভাগে রয়েছে ১৫ লাখের দায়িত্ব। সবচেয়ে বেশি ১৭ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠাবে নগদ। বাকি ১৮ লাখ পরিবারের কাছে এ টাকা পৌঁছাবে রকেট ও শিওরক্যাশ।
কতবার 'সেক্স' করলে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে

কতবার 'সেক্স' করলে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে


সহবাস করার সময় ঘণ্টায় দু’বার সেক্স করার চেষ্টা করুন। তাহলে উপকার পাবেন ছেলে-মেয়ে উভয়ই। সম্প্রতি লন্ডনের মিডলসেক্স হসপিটালের একজন ডাক্তার একটি গবেষণা থেকে এই তথ্যটির খোজ পেয়েছেন।

গবেষকরা জানতে পেরেছেন, ঘণ্টায় দুবার সেক্স করলে মেয়েদের গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কারণ প্রথমবার যে শুক্রাণু বের হয় তার থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী হয় দ্বিতীয়বার মিলিত হওয়ার পরের শুক্রাণুটি। গোলাম বাহাদুর নামে একজন গবেষকের মতে, গর্ভবতী হওয়ার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

যে সমস্ত মহিলারা সহজে গর্ভবতী হতে পারেন না, অথবা যাঁদের স্বাভাবিকের তুলনায় ভঙ্গুর হয়ে থাকে উদর তাঁরা ঘণ্টায় দুবার করে সেক্স করলে খুব সহজেই গর্ভবতী হতে পারেন। এছাড়া দ্বিতীয়বারের বার যে শুক্রাণু নির্গত হয় তা প্রথমবারের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী হয় বলে জানা যায়। এতে সন্তান সম্ভাবনার পরিমাণ অনেকাংশে বেড়ে যায়। অনাগত বাচ্চাও যথেষ্ট হৃষ্টপুষ্ট হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থায় ভ্রুণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে।
এক রাতে কত বার যৌন মিলন করা উত্তম?

এক রাতে কত বার যৌন মিলন করা উত্তম?


যৌনমিলনের হার বস্তুত যুগলের বয়সের উপর নির্ভর করে। বয়সের সাথে বিবাহিত মানুষের যৌনজীবনের সম্পর্ক নিয়ে এক গবেষনায় যেসব তথ্য পাওয়া যায়, তা হলো- – ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী বিবাহিত যুগল বছরে গড়ে ১১২ বার যৌনমিলন করে, অথবা সপ্তাহে দুইবারের একটু বেশি। – ৩০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী বিবাহিত যুগল বছরে গড়ে ৮৬ বার শাররীক মিলনে লিপ্ত হন যা মাসে প্রায় ৭ বার হারে গননা করা যায়। – ৫০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী যুগল বছরে ৬৯ বার অর্থাৎ গড়ে মাসে ৬ বারের একটু কম সংখ্যক বার। যৌনমিলন ক্রমশঃ নিন্মমুখি দেখা যায় – বিবাহের বয়স যত বাড়তে থাকে। এমনকি হতাশাগ্রস্ত বিবাহিত সম্পর্ককে রোমান্টিসাইজ করে যৌনজীবনে সুখ ফিরিয়ে আনা যায়।

গবেষনায় দেখা যায় অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতরা যৌনজীবনে বেশি সুখি। সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার যৌন মিলন করা প্রয়োজন, এক রাতে ১ বার যৌনমিলন করাই যথেষ্ট অতিরিক্ত সেক্স থাকলে দুবার করতে পারেন।
সেক্স স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী? বৈজ্ঞানিক মতামতসহ জেনে নিন।

সেক্স স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী? বৈজ্ঞানিক মতামতসহ জেনে নিন।


একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর যে কোনও দিন, দিন ও রাতের যে কোনও মুহূর্তে সহবাসের ইচ্ছা জাগতে পারে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কতদিন পর পর সহবাস করা উচিত, সেটা কিন্তু আমাদের অনেকের কাছেই অজানা!

আমাদের সকলেরই জানতে ইচ্ছা করে, এক মাসে, এক সপ্তাহে বা এক দিনে কতবার সহবাস করা উচিত। এই সব প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই প্রত‍্যেকের জানা উচিত। কারণ আপনার বিবাহিত জীবন যতই সুখের হোক, এ সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে পরবর্তী জীবনে আপনি সমস‍্যয় পড়তে পারেন।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী যখন শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে ফুরফুরে অবস্থায় থাকেন তখনই তাঁদের মধ্যে শারীরিক মিলন হতে পারে। দু’জনের মধ্যে  একজন যদি শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে মিলনে আগ্রহী না হন, তবে  সহবাস না করাই শ্রেয়। সেক্ষেত্রে অনাগ্রহী পার্টনারের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।


কোন বয়সে কতবার!

যৌনমিলনের হার পুরুষ ও নারীর বয়সের উপর নির্ভর করে। বয়সের সঙ্গে নারী ও পুরুষের যৌনজীবনের সরাসরি সম্পর্ক আছে। বয়স যত বাড়ে  যৌনমিলনের হার তত কমে। সদ‍্যবিবাহিত দম্পতিরা প্রথমদিকে দিনে ২ থেকে ৩ বার সহবাস করলেও, কয়েক মাসের মধ্যে যৌনমিলনের হার  দিনে এক বার অথবা দু’দিনে এক বারে থিতু হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে,

● ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী দম্পতিরা বছরে গড়ে ১১২ বার শারীরিক মিলনে লিপ্ত হন। অর্থাৎ এক সপ্তাহে দু’বারের একটু বেশি।

● ৩০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী দম্পতিরা বছরে গড়ে ৮৬ বার যৌনমিলন করেন। অর্থাৎ এক মাসে ৭ বার।

● ৫০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী দম্পতিরা বছরে ৬৯ বার শারীরিক মিলনে লিপ্ত হন। এঁদের যৌনমিলনের হার গড়ে মাসে ৬ বারের একটু কম।

বিজ্ঞান বলছে

● যাঁদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর, তাঁরা সপ্তাহে ৩ বার সহবাস করতে পারেন।

● যাঁদের বয়স ৩০-৪০ বছর তাঁরা সপ্তাহে ২ বার সহবাস করতে পারেন।

● যাঁদের বয়স ৪০-৫০ বছর তাঁরা সপ্তাহে ১ বার করে সহবাস করতে পারেন।

● যাঁদের বয়স ৫০-৬০ বছর, তাঁরা ১৫ দিনে কিংবা ৩০ দিনে ১ বার সহবাস করতে পারেন।

বেশি বয়সেও কেন নিয়মিত সঙ্গম করা উচিত!

● মাত্রাতিরিক্ত সহবাস যেমন ক্ষতিকর আবার কম সহবাসও শরীর ও মনের পক্ষে ততটাই ক্ষতিকারক। The American Journal of Cardiology দ্বারা প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র বলছেযে সব দম্পতি সপ্তাহে অন্তত দুবার সহবাস করেছেন তাঁদের হৃদপিণ্ড অনেক ভালো থাকে, যাঁরা একবারও সহবাস করেননি তাঁদের থেকে ৷

Biological Psychology (Physiological Psychology বা Behavioral Neuroscience নামেও পরিচিত) নিয়ে যাঁরা গবেষণা করেন সেই গবেষকরা জানিয়েছেন, যাঁরা নিয়মিত সহবাস করেন, তাঁদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেকটা কম থাকে৷

● মানসিক উৎকন্ঠা বা স্ট্রেস থেকে আসে উচ্চ রক্তচাপ, যা হৃদপিণ্ডের পক্ষে চরম ক্ষতিকর৷ মানসিক উৎকন্ঠা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। আর এই মানসিক চাপ কমাতে সেক্সের থেকে ভালো দাওয়াই নেই। এছাড়াও নিয়মিত সহবাস আপনার শরীরকে ফিট করে তোলে, ত্বক উজ্বল করে, ওজন কমায়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, বার্ধক্য পিছিয়ে দেয়। সহবাসের পর ঘুমও ভালো হয়। ফলে আপনার পুরো শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় ৷

আমার স্ত্রী ১০ বছর ধরে আমাকে ধর্ষণ করেছে, স্বামীর অভিযোগ!

আমার স্ত্রী ১০ বছর ধরে আমাকে ধর্ষণ করেছে, স্বামীর অভিযোগ!


পারিবারিক সহিংসতা বা নির্যাতনের যেসকল ঘটনার অভিযোগ কর্তৃপক্ষের কাছে আসে তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নির্যাতিত নারীটিই এসব ঘটনা প্রকাশ করেন। জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পৃথিবীর নারীদের এক তৃতীয়াংশ তাদের জীবনে শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়।

সেই তুলনায় পরিবারের পুরুষ সদস্যের ওপর সহিংসতার বিষয়টি যেমন অনেক কম আলোচনায় আসে, তেমনি এ ধরণের ঘটনা খুব বেশি ঘটেও না। অনেক সমাজেই পুরুষদের জন্য পারিবারিক সহিংসতার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার চল নেই, এবং অনেকক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের একাই লড়াইটা চালিয়ে যেতে হয়। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ইউক্রেনের এক তরুণ বিবিসি’র কাছে তার জীবনের ঘটনা বলেন। তার জবানিতেই তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরা হলো এখানে।

তার ভাষ্য মতে, আমাদের কোনো আর্থিক সমস্যা ছিল না। এর মধ্যে পৃথিবীর অনেকগুলো দেশও ঘুরে আসি আমরা দুজন। আমরা যখন অন্য কোথাও ভ্রমণ করতাম, তখন তাকে ভয় পেতাম না। সে মানুষের সামনে আমাকে নির্যাতন করে না। তবে ও যেন আমাকে একা না পায়, সেই বিষয়টা নিশ্চিত করা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। মাত্র কিছুদিন আগে আমি বুঝতে পারি যে, আমার সাবেক স্ত্রী দশ বছর ধরে আমাকে ধর্ষণ করছে। ইরা আমার জীবনের প্রথম নারী ছিল। ইরার সাথে শুরুর দিকে যখন যৌনমিলন হতো, সেসময় আমার আগ্রহ ছিল যৌনসঙ্গমের। কিন্তু স্বেচ্ছায় হলেও আমাদের যৌনমিলন ঠিক স্বাভাবিক ছিল না। তা ছিল কষ্টকর এবং আগ্রাসী। প্রথমবার যখন আমরা মিলিত হই, সেটি পাঁচ ঘণ্টা স্থায়ী ছিল এবং শেষ হওয়ার পর আমার সারা শরীর ব্যাথা করছিল। তার একটা বাতিক ছিল যে যৌনসঙ্গমের শেষে আমার বীর্যপাত করতেই হবে। বীর্যপাত না হওয়া পর্যন্ত আমার সঙ্গম চালিয়ে যেতে হতো এবং গড়ে তা এক থেকে দুই ঘণ্টা স্থায়ী হতো।

সেক্স উপভোগ্য হওয়ার কথা, কিন্তু আমার জন্য বিষয়টি সেরকম ছিল না। আমার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না এবং আমি ভাবতাম এটাই স্বাভাবিক, আর তাই যৌনমিলনে রাজী হতাম। কিন্তু কিছুদিন পরই আমি যখন তাকে না বলা শুরু করলাম, তখনই আমি ধর্ষিত হওয়া শুরু করি। একবার ব্যবসার কাজে আমার দীর্ঘদিনের জন্য বিদেশ যেতে হয়। আমার ভয় হয় যে কাজ শেষে দেশে ফিরে আমি হয়তো ইরাকে আর ফিরে পাবো না। তাই আমি তাকে আমার সাথে যাওয়ার প্রস্তাব দেই। এমনকি সফরে যাওয়ার আগে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাবও দেই আমি। সে বিয়ে না করলেও আমার সাথে সফরে যেতে রাজি হয়। আর সেখান থেকেই শুরু হয় মূল ঘটনা।

সারাদিন কাজ শেষে আমি পরিশ্রান্ত থাকতাম, আর সে যৌনমিলন করতে চাইতো। প্রথমে কয়েকদিন রাজি হলেও পরে আমি যখন রাজি হতাম না, সে তখন বলতো, “এটা আমার চাহিদা, সুতরাং তোমার আমাকে দিতেই হবে। আমি বহুক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি।” তখন আমি বলতাম, “আমি ক্লান্ত। আমি বিশ্রাম নিতে চাই।” তখন সে আমাকে আক্রমণ করতো। নখ দিয়ে আমাকে আঘাত করতে থাকতো যতক্ষণ না পর্যন্ত আমি রক্তাক্ত হতাম। সে কখনও আমার মুখে আঘাত করতো না। এমন জায়গায় করতো যা পোশাকের নীচে থাকবে: যেমন বুকে, পিঠে বা হাতে। আমি কখনও প্রতিবাদ করতাম না কারণ আমি মনে করতাম একজন নারীকে আঘাত করা ঠিক কাজ নয়।

আমি হীনমন্যতায় ভুগছিলাম এবং নিজেকে ক্ষুদ্র মনে হচ্ছিল। হোটেলে একবার নিজের জন্য আলাদা রুমও নিতে চেয়েছিলাম আমি। কিন্তু আমি তাদের ভাষা বুঝতাম না, তাই শেষপর্যন্ত রুম নিতে পারিনি। কাজ শেষে হোটেলে ফিরে যেতে ভয় লাগতো আমার। তাই রুমে ফিরে না গিয়ে বিভিন্ন শপিংমলে ঘুরে বেড়াতাম। শপিংমল বন্ধ হওয়ার পর ঘুরতাম শহরের অলিগলিতে। শরৎকালের ঠান্ডা ও আর্দ্র আবহাওয়ায় এরকম ঘোরাঘুরির ফলে আমার ইউরিন ইনফেকশন, প্রোস্টেইটিস ও জ্বর হয়। কিন্তু এসব কিছুই ইরাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। সে যা চাইতো, তা আমার করতে হতো। ইউক্রেনে ফিরে যাওয়ার পর আমি আমার বাবা-মা’র সাথে থাকতে শুরু করি, ইরার সাথে যোগাযোগ করাও বন্ধ করে দেই। কিন্তু তার সাথে বিচ্ছেদের প্রচেষ্টা দীর্ঘায়িত হয় দশ বছর পর্যন্ত। আমি তার সাথে ঝগড়া করে সবকিছু থেকে তাকে ব্লক করে দিতাম, সে এলে ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখতাম। কিন্তু সে বন্ধ দরজার ওপারে বসে আমাকে স্বান্তনা দেয়ার চেষ্টা করতো, বলতো যে সব ঠিক হয়ে যাবে।

শুরুর দিকে আমি তার সাথে ছাড়াছাড়ির অনেক চেষ্টা করলেও সময়ের সাথে সাথে আমার চেষ্টাও কমতে শুরু করে। পরে একপর্যায়ে আমি চেষ্টাই ছেড়ে দেই। সে আমাকে বিয়ে করতে চায়, এবং আমরা বিয়ে করিও। যদিও আমার বিয়ে করার কোনো আগ্রহ অবশিষ্ট ছিল না। ইরা সবার ব্যাপারে ঈর্ষান্বিত ছিল। আমার বন্ধু, পরিবার সবার ব্যাপারে। আমি যেখানেই যেতাম, আমার সবসময় তাকে ফোন করতে থাকতে হতো। আমাকে ছাড়া সে কোথাও যেতে পারতো না – আমি যেন সব জায়গায় তার মনোরঞ্জন করার খেলনা ছিলাম। ইরার কোনো চাকরি ছিল না। আমার আয়েই আমাদের খরচ চলতো। দুই বেডরুমের একটা বড় অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নেই আমরা। আমরা ঘুমাতামও ভিন্ন রুমে এবং আমার রুম বন্ধ করার ব্যবস্থা ছিল না। আমি যদি ‘ভুল’ কিছু করতাম, তখন সে আমার সাথে চিৎকার করতো এবং আমাকে মারতো।

প্রায় প্রতিদিনই এরকম ঘটনা ঘটতো। যে কোনো বিষয়ে সে আমার দোষ দিতো। আমি সবসময় শুনে এসেছি যে তার কোন ধরণের পুরুষ পছন্দ এবং তার জন্য সেই পুরুষ কী'’ কী'’ করবে। সে যা করতে বলতো, শুধু তার রাগ থেকে বাঁচার জন্য আমি তাই করতাম। সম্পর্কের শুরুর দিকে সেক্স ভালো লাগলেও পরে একটা লম্বা সময় আমার আর সেক্স ভালো লাগতো না। কিন্তু শেষ তিন চার বছর সেক্সের কথা চিন্তা করলেই আমার প্যানিক অ্যাটাক হতো, আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়তাম। যখনই ইরা আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে ধরে আমার সাথে যৌনমিলনে উদ্যত হতো, তখনই এরকম হতো। আমার মধ্যে যখন আতঙ্ক তৈরি হতো, আমি তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে ঘর থেকে, কখনো বাড়ি থেকে দৌড়ে পালিয়ে যেতাম। ইরার বিশ্বাস ছিল আমার জন্যই আমাদের যৌনজীবনে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তাই কয়েক বছর পরপর আমাকে সেক্সোলজিস্টের কাছে নিয়ে যেতো সে।

ডিভোর্সের কিছুদিন আগে থেকে আমি যৌন সহিংসতার কথা মানুষকে বলা শুরু করি। সেসময় ইন্টারনেটে একটি ওয়েবসাইটে পরিচয় প্রকাশ না করে আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো জানাই আমি একজনকে। সেবারই প্রথম আমি কারো সাথে সেসব ঘটনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করি। সেখান থেকে আমি সাহস পাই এবং ধীরে ধীরে নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠি। আমি ও ইরা দুজনই চিকিৎসকের সাথে একসাথে আলোচনা করতাম। ঐ সময়ই আমি প্রথমবার কোনো চিকিৎসকের সামনে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তুলতে সক্ষম হই। আর সেগুলো বলার পর ইরা ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সে বলতে থাকে যে আমার অ’ভিযোগ মিথ্যা।

তবে ঐ ঘটনার পরপরই সে ডিভোর্সের পরাম’র্শ দেয়। আমিও সুযোগ হাতছাড়া করিনি। একমাস পর যেদিন ডিভোর্সের কাগজ হাতে পাই, সেটি ছিল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন। ডিভোর্সের পর একদিন আমি চিৎকার করে তাকে বলি, “তুমি আমাকে ধর্ষণ করছিলে?” সে উত্তর দিয়েছিল, “ধর্ষণ করছিলাম? তো কি হয়েছে!!” সেদিন তার কথার উত্তর দিতে পারিনি আমি, এখনও সেই উত্তর জানা নেই। তবে সে অন্তত স্বীকার করেছে অভিযোগ, যদিও এ নিয়ে হাসাহাসিই বেশি করেছে।
সরকার কর্তৃক ২৫০০ টাকার সহায়তা আপনি পাবেন কি?

সরকার কর্তৃক ২৫০০ টাকার সহায়তা আপনি পাবেন কি?


বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে সারাদেশে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবার। এ সকল পরিবারকে এককালীন নগদ আড়াই হাজার টাকা করে মোবাইল একাউন্টে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত ১৪ মে থেকে এর কার্যক্রম শুরু করা হয় বলে জানা যায় এবং এই কার্যক্রম চলবে ঈদুল ফিতরের আগ পর্যন্ত। কিন্তু এর মধ্যেই এই কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ।

জানা গেছে, যারা তালিকা তৈরি করেছে তারা দূর্নিতি করে তালিকায় থাকা একই নম্বর একাধিকবার ব্যবহার করেছে। নগদ অর্থ সহায়তা পাঠানোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করে একই নম্বর দেয়া হয়েছে। আর এমন ঘটনা সারা দেশেই ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। আর এই অভিযোগ ওঠার পর বিকল্প ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার। এই ব্যবস্থায় বাদ পড়াদের নতুন মোবাইল নম্বর অথবা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান। এ ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল গণমাধ্যমকে জানান, ডাটা কালেকশনের ফরমে মোবাইল নম্বরের একটা অ'পশন রয়েছে।

গ্রামের সকল দরিদ্র পরিবারের তো আর মোবাইল নম্বর নেই। তাই স্থানীয়ভাবে একই নম্বর বারবার ব্যবহার করে এই তথ্য সার্ভারে আপলোড করা হয়েছে। তবে স্ক্যানিংয়ের সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে মোবাইল নম্বর মেলানোর সময় তালিকার অনেক নাম বাতিল হয়ে গেছে। বাদ পড়াদের সহযোগিতার বিষয়ে এই সিনিয়র সচিব আরো বলেন, এখন নতুন করে এনআইডির সঙ্গে মিলিয়ে নতুন মোবাইল নম্বরে অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা নিতে হবে।

ন্যাশনাল আইডির সঙ্গে মোবাইল নম্বর না মেলার সংখ্যা ৮ লাখ কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই বিষয়টি তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ বলতে পারবে। আগামী তিন দিনের মধ্যে তারা সব ঠিক করবে।
ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মারামারি; মৃত্যুর পর লুটপাট

ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মারামারি; মৃত্যুর পর লুটপাট


প্রতিদিনই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোনো না কোনো অঞ্চলে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছে লোকজন তুচ্ছাতিতুচ্ছ কারণে। করোনাভাইরাসের প্রকোপে সারাদেশ লকডাউন থাকায় এসব খবর বেশ নিয়মিতই শিরোনাম হচ্ছে। গত ১৪ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের চাতলপাড় ইউনিয়নের বড়নগর গ্রামে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝালমুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। পরে ১৬ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যায় রজব আলী (২০) নামের ওই তরুণ।

রজব আলীর মৃত্যুর পর শুরু হয় আরেক নাটক। এই ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য করিমকে প্রধান আসামি করে ২৬ জনের বিরুদ্ধে নাসিরনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বাবা ইছুব আলী। এরপর থেকে পুলিশের ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন অভিযুক্ত পক্ষের কমপক্ষে ৩০ পরিবারের মানুষ। এই সুযোগে ইছুব আলীর লোকজন তাদের বাড়িঘরে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ক্ষেতের ফসলও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

কৌশলে বিবাদী পক্ষের লোকজন আসামি পক্ষের লোকদের বাড়ি পাহারার ব্যবস্থা করে। আসামি পক্ষের লোকদের দাবি সারদিন পাহারা দিয়ে রাতে শুরু করে লুটপাট। এলাকায় মানুষজন না থাকায় তাদের মাঠের পাকা ধানও কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এদিকে অভিযোগের বিষয়ে নিহতের বাবা ইছুব আলী বলেন, 'আমাদের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমাদের পক্ষের কোনো লোক লুটপাট করেনি। বরং তাদের ঘরের সকল মালামাল নিজেরাই সরিয়ে নিয়ে গেছে। তাদের মালামাল রক্ষা করার জন্য আমরা সারারাত পাহারা দেই।'

রজব আলী হত্যা মামলার বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে ৩০ পরিবারের ৪০টি গরু, ৬টি ষাঁড়, প্রায় দুইশ হাঁস-মুরগী, ৫ বিঘা পাকা ধান ও বিভিন্ন আসবাবপত্র লুটের অভিযোগ করার অভিযোগ তুলেছে আসামীপক্ষ। নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান লুটপাটের ঘটনা শুনেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানান। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রজব আলী হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত দুজন গ্রেপ্তার হয়েছে।
বাংলাদেশে ৩০ মে’র মধ্যে ৯৯ শতাংশ করোনার বিদায়!

বাংলাদেশে ৩০ মে’র মধ্যে ৯৯ শতাংশ করোনার বিদায়!


বাংলাদেশে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস ১৯ মের মধ্যে ৯৭ শতাংশ, ৩০ মে মধ্যে ৯৯ শতাংশ বিলীন হয়ে যাবে। সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজাইনের (এসইউটিডি) ডেটা ড্রাইভেন ইনোভেশন ল্যাবের গবেষকেরা এমন আভাস দিয়েছেন।


ভাইরাসটি বিস্তারের ধরন, মানবদেহে ক্ষতিকর প্রভাব ও বৈশিষ্ট্য, সব মিলিয়েই গবেষকেরা পূর্বাভাস দিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে ভাইরাসটির পুরোপুরি বিদায় নিতে ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময় গড়াতে পারে। সারা বিশ্ব থেকে করোনা পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে। করোনার বিদায়ের দিনক্ষণের বিষয়ে এমন পূর্বাভাস এটাই প্রথম।

সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজাইনের (এসইউটিডি) ডেটা ড্রাইভেন ইনোভেশন ল্যাব গতকাল রোববার নিজস্ব ওয়েবসাইটে ১৩১টি দেশের করোনাবিষয়ক এই তথ্য তুলে ধরে।

এসইউটিডি গবেষণায় সাসসিপটাবেল ইনফেক্টেপ রিকভারড (সার) মডেল ব্যবহার করেছে। এ মডেল অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমার প্রমাণ মিলছে। গবেষকদের দাবি, সার এপিডেমিক মডেল বলছে, বিভিন্ন দেশ থেকে পাওয়া তথ্যে ও করোনাভাইরাসের জীবনচক্রের মেয়াদ সম্পর্কে প্রচুর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছনো হয়।

এসইউটিডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারতে করোনার সংক্রমণ ২১ মের মধ্যে ৯৭ শতাংশ কমে যাবে। বিশ্ব থেকে করোনাভাইরাস ৯৭ শতাংশ দূর হবে ২৯ মের মধ্যে এবং পুরোপুরিভাবে চলে যাবে চলতি বছরের ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে।

যুক্তরাষ্ট্রে ১১ মের মধ্যে করোনার সংক্রমণের প্রকোপ ৯৭ শতাংশ কমে যাবে। ইতালিতে ৭ মের মধ্যে কমবে ৯৭ শতাংশ সংক্রমণ। সার মডেল দিয়ে ১৩১টি দেশের করোনা প্রাদুর্ভাব কখন শেষ হবে, তা পর্যবেক্ষণ করেছেন সিঙ্গাপুরের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক।
লকডাউন ওঠার পর ভুলেও যা করবেন না

লকডাউন ওঠার পর ভুলেও যা করবেন না


কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের জন্য আতঙ্কের মধ্য দিয়ে দিন যাপন করছে সবাই। মহামারি এই ভাইরাস যেন পিছু ছাড়তে চাইছে না। সংক্রমণ ঠেকাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে লকডাউন। অনেকেই ভাবছেন লকডাউন কবে শেষ হবে, তাহলে হাঁফ ছেড়ে বাড়ির বাইরে বের হতে পারবেন তারা। আবার অনেকেই লকডাউন শেষ হলেই কী করবেন তা ইতোমধ্যেই ঠিক করে ফেলেছেন। কিন্তু মনে রাখবেন, লকডাউন শেষ হওয়ার অর্থ এই নয় যে সবকিছু ঠিক ও স্বাভাবিক হয়ে গেছে। যদি ভেবে থাকেন তাহলে বড় ভুল করছেন। হয়তো নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনবেন। লকডাউন উঠে গেলেও নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষার জন্য যতদিন পর্যন্ত এর প্রতিষেধক আবিষ্কার না হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত কয়েকটি বিষয়ের দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে।  


সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন 
লকডাউন উঠে যাওয়ার পরেও সামাজিক দূরত্ব সকলকেই মেনে চলতে হবে। হাট-বাজার থেকে শুরু করে সমস্ত জনবহুল এলাকা থেকে দূরে থাকতে হবে আমাদের। এটি না মানলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন আপনিও।
   
পারিবারিক অনুষ্ঠান থেকে দূরে থাকুন  
লকডাউন উঠে যাবার পরে নিজের বাড়ির অনুষ্ঠান বন্ধ রাখুন। পাশাপাশি অন্যের বাড়ির অনুষ্ঠানে যাওয়া বন্ধ করুন। বিয়ে, জন্মদিনসহ যে কোনো পার্টি বা ঘরোয়া অনুষ্ঠান একেবারেই করবেন না। পরিবারকে সুস্থ রাখতে এটি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন।  

হাত ধোয়ার অভ্যাস বজায় রাখুন  
এখন যে অভ্যেসে আপনি অভ্যস্ত, সেই হাত ধোয়া ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের অভ্যাসটি লকডাউন উঠে যাওয়ার পরেও চালিয়ে যাবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া গাইডলাইন মেনে চলতে হবে সবাইকে।  


মাস্ক ব্যবহার ত্যাগ করবেন না 
নিজেকে বাঁচাতে বাড়ির বাইরে পা দিলেই অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। জনবহুল এলাকায় মাস্ক ছাড়া যাবেন না। আপনি যদি সর্দি বা কাশি-তে ভোগেন তবে মাস্ক পরে থাকুন। বাড়ির অসুস্থ রোগীর কাছে গেলে মাস্ক পরে যাবেন। হাঁচি দেয়ার সময় টিস্যু ব্যবহার করুন।   

বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন না  
শুধুমাত্র আমাদের দেশেই নয়, সারা বিশ্বে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে করোনাভাইরাস। তাই লকডাউন ওঠামাত্রই পরিবারকে নিয়ে বাইরে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করবেন না। নিজেকে সুস্থ রাখতে বাইরে বেরোনোর থেকে বাড়ির লোকের সঙ্গে বাড়িতেই নতুন কিছু পরিকল্পনার মাধ্যমে ছুটি কাটান।  

পার্ক ও সিনেমা হল এড়িয়ে চলুন  
লকডাউন উঠে যাওয়ার পরে বাচ্চাকে নিয়ে পার্কে যাবেন না। পাশাপাশি কয়েক মাস সিনেমা হল যাওয়াও এড়িয়ে চলুন। কারণ কার শরীরে করোনা ভাইরাস সক্রিয় রয়েছে তা আপনি জানতে পারবেন না, যার থেকে সংক্রামিত হতে পারেন আপনিও। তাই কয়েক মাস এই সমস্ত জায়গা থেকে দূরে থাকাই ভালো। লকডাউন উঠে যাবার পরেও আইইডিসিআর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া গাইডলাইন মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন। 


 ক্লাব এবং বার এড়িয়ে চলুন 
যারা নাইট ক্লাব বা পার্টি ছাড়া থাকতে পারেন না তাদের হয়তো এই সময়টা খুবই কষ্ট হচ্ছে। যদি পরিকল্পনা করে থাকেন লকডাউন খোলা মাত্রই হানা দেবেন নাইট ক্লাবে, তবে নিজের বিপদ আপনি নিজেই ডাকবেন। সুস্থ থাকতে চাইলে ভুলেও পা রাখবেন না ক্লাব বা বার গুলোতে। কারণ, লকডাউন ওঠা মানে ভাববেন না যে ভাইরাস নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস; নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস; নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

 

গত কয়েক দিনের মতো আজ রোববারও সব বিভাগে বৃষ্টি, বিজলী চমকানো, বজ্রপাত, অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ঢাকার ওপর দিয়ে ৩০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এছাড়া সাতটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ঝড় বয়ে যেতে পারে। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বিজলী চমকানো এবং অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।



সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দক্ষিণ-পূর্ব বা দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে। যা অস্থায়ীভাবে দমকা আকারে ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার হতে পারে।
বোনের বাসার গৃহকর্মীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ, দুই ভাই আটক

বোনের বাসার গৃহকর্মীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ, দুই ভাই আটক


টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় এক গৃহকর্মীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে আপন দুই ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন, বাসাইল কালীবাড়ী এলাকার খোকা বাবুর ছেলে সিজান (২৪) ও রিপন (৩২)। নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার চারারবন গ্রামে।
 


পুলিশ ও মামলার বিবরণে জানা যায়, ওই কিশোরী ঢাকার মিরপুর-২ সি-ব্লক এলাকার মাসুদ নামে এক ব্যক্তির বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিল। গেলো বছরের ১৬ জুলাই মাসুদের স্ত্রী রিপা (২৮) চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। যাওয়ার আগে গৃহকর্মীকে রিপা তার বাবার বাড়ি বাসাইলে রেখে যান। 

ওই রাতেই রিপার ভাই সিজান গৃহকর্মীকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করা হয়। ওই কিশোরী বাড়িতে যেতে চাইলে তাকে জোর করে আটকে রাখা হত। গৃহকর্মী ঘটনাটি সিজানের বড় ভাই রিপনকে জানালেও তিনি কোনও কর্ণপাত করেননি। 

পরে বিষয়টি গোপনে ওই কিশোরী তার মাকে জানায়। এরপর রিপা ভারত থেকে দেশে ফিরলে তাকে ধর্ষণের বিষয়টি অবহিত করা হয়। রিপা তার ভাই সিজানের সঙ্গে ওই কিশোরীর বিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করেননি। এই অবস্থায় গেল ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে সিজান, রিপন ও রিপাকে আসামি করে বাসাইল থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।


বাসাইল থানার এসআই বিল্লাল হোসেন বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ভাইকে আটক করে আজ শনিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর অভিযুক্ত রিপা পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।
৪০ বছর আগেই করোনাভাইরাস তৈরি করেছে চীন!

৪০ বছর আগেই করোনাভাইরাস তৈরি করেছে চীন!

 



চীনের মূল ভূখণ্ডে করোনাভাইরাসে দুই হাজার ২৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধুমাত্র হুবেই প্রদেশেই একদিনে আরও ১১৫ জন মারা গেছে। অপরদিকে জাপানে তিনজন, হংকংয়ে দুইজন, ইরানে দুইজন, তাইওয়ানে একজন, ফিলিপাইনে একজন, ফ্রান্সে একজন ও দক্ষিণ কোরিয়ায় একজন করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। গত ৩১ ডিসেম্বর হুবেই প্রদেশের উহান শহরেই প্রথমবারের মতো এই ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। উহানের একটি বাজার থেকেই প্রথম করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হয়।


অনেক বিশেষজ্ঞের দাবি এই ভাইরাস চীনারাই তৈরি করেছে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে এই ধারণা আরও প্রকোট হতে শুরু করেছে। মূলত ৪০ বছর আগের একটি উপন্যাসকে কেন্দ্র করেই এই ভাইরাস নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে। ওই উপন্যাসে একটি ভাইরাসের নাম দেওয়া হয়েছে উহান-৪০০।
ওই থ্রিলার উপন্যাসটির নাম আইস অব ডার্কনেস। ১৯৮১ সালের ওই উপন্যাসে উহান-৪০০ নামে একটি ভাইরাসের কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, চীনে ভাইরাসটি বায়োলজিক্যাল যুদ্ধের গবেষণাগারে প্রস্তুত করা হচ্ছে। এ ধরনের যুদ্ধে ভাইরাস প্রয়োগ করে একটি দেশকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হয়। এতে কোনও ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োজন হয় না।


টুইটারে এক ব্যক্তি প্রথম এই উপন্যাসের একটি অংশ পোস্ট করেন। এরপরেই ওই পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়। এদিকে, ভারতের কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারিও ওই পোস্ট টুইটারে শেয়ার করে লিখেছেন, করোনাভাইরাস কি চীনের তৈরি করা বায়োলজিক্যাল অস্ত্র? এই বইটি ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
করোনায় নতুন আক্রান্ত ৪১৮, মৃত বেড়ে ১৪৫

করোনায় নতুন আক্রান্ত ৪১৮, মৃত বেড়ে ১৪৫

বাংলাদেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় ৪১৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসে দেশে শনাক্তকৃত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪১৬ জনে। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে মারা গেছেন আরও ৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৪৭৩ জনের। এর মধ্যে ৪১৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া আরও ৫ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী। মৃতদের মধ্যে ৩ জন ৫১-৬০ বছর বয়সী। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ৯ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১২১ জন।


ডিসেম্বরে চীনে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেলেও বাংলাদেশে ভাইরাসটি শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। ওইদিন তিনজন করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা অনেকটাই সমান্তরাল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে হুট করেই বাড়তে থাকে রোগীর সংখ্যা।
বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলে বাড়ানো হয় সতর্কতা। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য মার্চেই ব্যবস্থা নেয় বাংলাদেশ সরকার। বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। পঞ্চম দফায় সেই ছুটি বাড়ানো হয়েছে আগামী ৫ মে পর্যন্ত। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের পদক্ষেপ অনেকটা এরকমই। তবে এর মাঝেও কিছু কিছু দেশ তাদের দেয়া লকডাউন কিছুটা শিথিল করছে। স্পেন, জার্মানি ও ভারত সেই পথে হেঁটেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালিও তেমনটাই ভাবছে।
রোববার সকাল পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ লাখ ২১ হাজার ২০১ জনে দাঁড়িয়েছে। ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাস রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত ২ লাখ ৩ হাজার ২৮৯ জন মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।


আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৯৬৯ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ১৮ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৩ জন। এদের মধ্যে ১৮ লাখ ২৩ হাজার ৮০ জনের জনের শরীরে মৃদু সংক্রমণ থাকলেও ৫৭ হাজার ৮৬৩ জনের অবস্থা গুরুতর।
 
২৬ এপ্রিল (রোববার) এর আপডেট
গত ২৪ ঘণ্টায় মোট
শনাক্ত  ৪১৮ ৫৪১৬
মৃ্ত্যু ১৪৫
সুস্থ ১২১
পরীক্ষা ৩৪৭৩ ৪৬৪৮৫

করোনা: যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু ৫০ হাজার ছাড়ালো

করোনা: যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু ৫০ হাজার ছাড়ালো


বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, যা এককভাবে কোনো দেশে সর্বোচ্চ। শুক্রবার পর্যন্ত দেশটিতে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫০ হাজার ২৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।


বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৭০৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ হাজার ৯০০ জন এবং মারা গেছেন ২ হাজার ৩৪২ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যেই সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিউইয়র্কে মৃত্যু হয়েছে ৫০৭ জনের। এতে এই অঙ্গরাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৮৬১ জনে। দেশটির অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে নিউজার্সিতে নতুন করে ৩৬৫ জন মারা গেছে। এতে সেখানে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪২৮ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ম্যাসাচুটসে ১৭৮, ক্যালিফোর্নিয়ায় ১০৪, পেনসিলভানিয়ায় ১১১, ইলিনয়ে ১২৩, মিশিগানে ১৬৪ এবং লুইসিয়ানায় ১২৬ জন মারা গেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৮৫ হাজার ৯২২ জন।

গণপরিবহন বন্ধ থাকবে ৫ মে পর্যন্ত

গণপরিবহন বন্ধ থাকবে ৫ মে পর্যন্ত



করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং এর ব্যাপক বিস্তার রোধকল্পে অধিকতর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে সাধারণ ছুটি আগামী ৫ মে পর্যন্ত বর্ধিত করায় দেশব্যাপী চলমান গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত আগামী ৫ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।


সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ শুক্রবার এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জরুরি পরিষেবা, খাদ্যদ্রব্য, সড়ক ও নৌপথে সব পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, জ্বালানি, ঔষধ, ঔষধ শিল্প, চিকিৎসা সেবা ও চিকিৎসাবিষয়ক সামগ্রী পরিবহন, শিশুখাদ্য, গণমাধ্যম, ত্রাণবাহী পরিবহন, কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য, সার ও কীটনাশক, পশুখাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ খাতের উৎপাদিত পণ্য, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য এবং জীবনধারণের মৌলিক পণ্য উৎপাদন ও পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। পণ্যবাহি যানবাহনে যাত্রী পরিবহণ করা যাবে না।
ইফতার মাহফিল নিষিদ্ধ করলো ধর্ম মন্ত্রণালয়

ইফতার মাহফিল নিষিদ্ধ করলো ধর্ম মন্ত্রণালয়


প্রত্যেকের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করার স্বার্থে রমজান মাসে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইফতার মাহফিলের আয়োজন বা যোগদান করতে পারবেন না।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশব্যাপী সামাজিক বিচ্ছিন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় এবারের রমজানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন বা এতে যোগদান নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিধিনিষেধের কথা জানিয়েছে।


এতে বলা হয়েছে, প্রত্যেকের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করার স্বার্থে রমজান মাসে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইফতার মাহফিলের আয়োজন বা যোগদান করতে পারবেন না। এ নির্দেশনা না মানলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ার করা হয়েছে ওই নির্দেশনায়।

এর আগে বৃহস্পতিবার এক আদেশে মন্ত্রণালয় জানায়, রমজান মাসে মসজিদে এশা ও তারাবিহর নামাজের জামাতে সর্বোচ্চ ১০ মুসল্লি ও দুই হাফেজসহ ১২ জন অংশ নিতে পারবেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় এর আগে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় ও জামাত বিষয়ে যেসব নির্দেশনা জারি করেছিল, তাও কার্যকর থাকবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

দেশে ৮ মার্চ প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৮৬ জনে।
নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫০৩ জনের দেহে, আরো ৪ জনের মৃত্যু

নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫০৩ জনের দেহে, আরো ৪ জনের মৃত্যু

দেশে এ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩১ জনে। সর্বমোট আক্রান্ত চার হাজার ৬৮৯ জন।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারী কোভিড-১৯ এর বাংলাদেশে বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এসময়ে মারা গেছে ৪ জন।

দেশে এ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩১ জনে। সর্বমোট আক্রান্ত চার হাজার ৬৮৯ জন। কয়েক দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনসহ মোট ১১২ জন সুস্থ হয়েছেন।



শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন অধিদফতরটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৬৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে চার জনের। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন আরও চার জন। ডা. নাসিমা আরও বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনই পুরুষ। তারা সবাই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।”
করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ২৬ লাখ, মৃত এক লাখ ৮৪ হাজার

করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ২৬ লাখ, মৃত এক লাখ ৮৪ হাজার


করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্তি বিশ্ব। এর মধ্যে কয়েকটি দেশে এর প্রকোপ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে প্রায় সাত হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজারের বেশি মানুষ। এছাড়া একদিনে বিশ্বে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন প্রায় ২৭ হাজার করোনা রোগী। 


এ তথ্য জানিয়েছে করোনাভাইরাস নিয়ে লাইভ আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার।
বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত করোনায় বিশ্বব্যাপী নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮৪ হাজার ২১৯ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬৮১ জন। অপরদিকে ৭ লাখ ১৭ হাজার ৭৫৯ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে এই মহামারি শুরু হলেও এখন ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। আক্রান্ত ও নিহতের সংখ্যায় সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৯৯৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৭ হাজার ৬৭৬ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৮৪ হাজার ৫০ জন।
আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে স্পেন। সেখানে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৮ হাজার ৩৮৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২১ হাজার ৭১৭ জনের।
মৃত্যুর দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৫ হাজার ৮৫ জনের।
চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত তিন মাসে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে।
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নেয়া হয়েছে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। অধিকাংশ দেশেই মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে মানুষের চলাফেরার ওপর বিভিন্ন মাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। কোনো কোনো দেশে আরোপ করা হয়েছে সম্পূর্ণ লকডাউন, কোথাও কোথাও আংশিকভাবে চলছে মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম। এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধেক মানুষ চলাফেরার ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাত্রায় নিষেধাজ্ঞার ওপর পড়েছেন।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর ব্যাপক চাপ পড়ার কারণে কিছুদিনের মধ্যেই অনেক দেশেই স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা সরঞ্জাম ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতি দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। নিউমোনিয়ার মত লক্ষণ নিয়ে নতুন এ রোগ ছড়াতে দেখে চীনা কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সতর্ক করে। এরপর ১১ জানুয়ারি প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।