Showing posts with label তথ্য ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label তথ্য ও প্রযুক্তি. Show all posts
অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং- সফল হবার কিছু কার্যকরী টিপস !

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং- সফল হবার কিছু কার্যকরী টিপস !


আজকে আপনাদের সামনে উপস্থিত হলাম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর খুটিনাটি কিছু বিষয় নিয়ে শেয়ার করার উদ্দেশ্যে। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে পোস্ট লিখবো, ঠিক সময় করে উঠতে পারছিলাম না। আমার এই লেখাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।


প্রফিটেবল নিশ বাছাই করা- আপনাকে শুরু করতে হবে একটি প্রফিটেবল নিশ বাছাই করার মাধ্যমে। নিশ বাছাই করার সময় আপনার জানাশুনা এবং কাজ করতে পারবেন এমন বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া ভালো কাজে লাগে। তবে যখন আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন তখন অবশ্যই চেষ্টা করবেন যেন আপনার কিওয়ার্ডটা বাইং বা কল টু অ্যাকশন কিওয়ার্ড হয়। আর সার্চ ভলিওম টা দেখবেন ইউ এস এ ভিত্তিক। তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন। কারন এখানকার মানুষ সব থেকে বেশি কেনাকাটা করে আর তাই আপনাকে এই লোকেশন টার্গেট করতে হবে।

প্রোডাক্ট বাছাই করা- আপনি যখন কোন প্রোডাক্ট বাছাই করবেন তখন একটু দেখে নিবেন যে সেই প্রোডাক্টটি এভারগ্রীন প্রোডাক্ট কিনা। মানে আপনি যে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করছেন সেটি অন্তত কিছু বছর বাজারে চলবে কিনা। যেমন একটি নিদিষ্ট ব্রান্ডের জুতা বা এমন কিছু। তা না হলে দেখা যাবে যে, যেই প্রোডাক্ট বাছাই করলেন ওটার চাহিদা ইউজারের নিকট কমে যাবে।  তাই চেষ্টা করুন এভারগ্রীন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে।

প্রোডাক্ট রেটিং- অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে আপনি যে প্রোডাক্ট গুলা প্রোমোট করবেন সেগুলার রেটিং যেন ভালো হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে বলবো মিনিমাম ৪.০ থাকে আর ম্যাক্সিমাম তো ৫। আর পজিটিভ ইউজার রিভিউ যেন মিনিমাম ৫+ থাকে।

প্রোডাক্ট রিভিউ- আপনার প্রোডাক্ট রিভিউটা এমন হতে হবে যেন আপনি নিজে সেই প্রোডাক্টের ক্রেতা আর আপনি আপনার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে রিভিউ লিখছেন। তাহলে দেখবেন আপনার সেল ভালো হবে আর আপনার সাইটের প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেক বাড়বে।

প্রোডাক্ট প্রাইস- প্রোডাক্ট প্রাইস এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি খুব কম দামের প্রোডাক্ট প্রোমোট করেন তবে সেগুলা সেল হলে আপনি খুব বেশি লাভবান হবেন না আবার আপনি যদি তুলনামুলক বেশি দামের প্রোডাক্ট প্রোমোট করেন তবে আপনার সেল অনেক কমে যাবে। তাই সব সময় চেষ্টা করবেন যেন প্রোডাক্ট প্রাইস ক্রেতা সাধারণের হাতের নাগালের ভেতরে থাকে। আমি  ব্যক্তিগতভাবে  ৬০ ডলার থেকে ২০০ ডলার মূল্যের প্রোডাক্ট প্রোমোট করি।

নতুন আইডিয়া বের করা- আপনি আপনার প্রোমোট করা প্রোডাক্ট গুলা ভালো করে মনিটর করবেন আর খেয়াল করবেন যে, কোন কোন প্রোডাক্ট বেশি সেল হচ্ছে। তখন যেগুলা বেশি সেল হবে সেগুলা নিয়ে বেশি বেশি কাজ করবেন বা ওইরকম প্রোডাক্ট আরও বেশি করে প্রোমোট করবেন।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে যা জানা আবশ্যক

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে যা জানা আবশ্যক

 affiliate-marketing
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অন্য কারো প্রোডাক্টকে কমিশনের বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া/লিড পাইয়ে দেওয়া। বর্তমানে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস আছে যারা ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল প্রডাক্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের প্রমোশনের মাধ্যমে তাদের পণ্য বিক্রি করার সুযোগ দিয়ে থাকে। অন্যতম মার্কেট প্লেস হচ্ছে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, ক্লিক ব্যাংক, সিপিএ এম্পায়ার, শেয়ার এ সেল, কমিশন জাংশন ইত্যাদি।

অনেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ভিন্ন ভিন্ন প্রসেসে করে থাকেন। প্রোডাক্ট, টার্গেট মার্কেট এবং প্রমোশন স্ট্রেটেজির উপর ভিত্তি করে একেক জনের একেক স্টাইল। কেউ ডিরেক্ট প্রডাক্ট প্রমোট করে কিংবা কেউ ইনফরমেশন বা রিভিউ বেসড সাইট তৈরি করে আবার অনেকেই শুধু মাত্র প্রোডাক্টের উপর ল্যান্ডিং পেজ ক্রিয়েট করে সেটা লিড ক্যাপচার করে প্রমোট করার মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকে। তাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হলেই অনেক কিছু জেনে নিয়ে কাজে নামতে হবে যেমন, কোন প্রোডাক্ট বাছাই করবো, কেন বাছাই করবো? এই প্রোডাক্ট গুলো কিভাবে টার্গেটেড ট্রাফিকের সামনে উপস্থাপন করতে হবে এবং কিভাবে প্রমোট করতে হবে ইত্যাদি। 


আচ্ছা যদি ইনফরমেশন বেসড ওয়েব সাইট তৈরি করতে চাই?

হুম। বন্ধুরা আমি বর্তমানে অ্যাফিলিয়েটে কাজ করছি রিভিউ বা ইনফরমেশন বেসড ওয়েব সাইট নিয়ে। ইনফরমেশন বেসড সাইটগুলোতে মূল লক্ষ্য থাকে ট্রাফিককে তাদের অজানা বিষয়ে গাইড করা, বিভিন্ন বিষয়ের উপর নিজস্ব রিভিউ জানানো। এই ধরনের সাইট গুলোতে অনেক অনেক কন্টেন্ট থাকে আর মূল ট্রাফিক স্ট্রেটেজিই তৈরি হয় সার্চ ইঞ্জিনকে টার্গেট করে, কেননা নিশ বাছাই এর সময়ই এমন নিশ খোজা হয় যেখানে টার্গেট মার্কেট সার্চ করে এবং ইনফরমেশন খোজে।

এই ধরনের ইনফরমেশন বেসড ওয়েব সাইট তখনি ভালো করে যখন পর্যাপ্ত পরিমানে ট্রাফিক সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসে। সার্চ ইঞ্জিনে ভালো করতে প্রয়োজন হয় সঠিক কিওয়ার্ড রিসার্স এবং কন্টেন্ট। আপনাদের আরও একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় জানিয়ে রাখি, আমি ইনফরমেশন বেসড ওয়েব সাইট নিয়ে তখনি কাজ করি যখন কোন ভালো মানের নিশ পাই, প্রত্যক্ষ ভাবে সেটার মূল মানিটাইজেশন ফিজিক্যাল কোন প্রোডাক্ট দিয়েই করতে হয় বা করা যাবে। আর ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট নিয়ে অ্যাফিলিয়েট করতে আমার প্রথম পছন্দ অ্যামাজন এসোসিয়েট! আরও কিছু সুবিধা রয়েছে…
  • অ্যামাজনের বেশির ভাগ প্রডাক্টই ফিজিক্যাল প্রডাক্ট
  • অনলাইনে কেনাকাটার জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বিশ্বস্ত নাম অ্যামাজন ডটকম।
  • এখান থেকে প্রডাক্ট কেনার প্রবণতা ইউজারের অনেক বেশি।
  • কোন ভিজিটরকে অ্যামাজনের যেই প্রডাক্টেই পাঠান সে যেই প্রোডাক্টই ক্রয় করুক না কেন আপনি সেই অ্যামাউন্টের উপর ভিত্তি করে কমিশন পাবেন।
  • ক্রেতা বায়িং ডিসিশন নেয়ার জন্য সাধারণত যে ধরণের তথ্যগুলো প্রয়োজন তা আমাজন ডটকমের প্রোডাক্ট পেইজগুলোতে যথেষ্ট রয়েছে।
ইনফরমেশন বেসড ওয়েবসাইট তৈরি করার ভিত্তি গুলো হলো – নিশ নির্বাচন, কিওয়ার্ড রিসার্চ, প্রোডাক্ট নির্বাচন, কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট, অনপেজ এসইও, লিংক বিল্ডিং ও সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।

আসুন জেনে নেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হলে কি কি জানতে হয়:

  • নিশ নির্বাচন
  • কিওয়ার্ড রিসার্স
  • প্রোডাক্ট রিসার্স
  • ওয়েব সাইট তৈরির যাবতীয় প্রসেস
  • কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট
  • ল্যান্ডিং পেজ বানানো
  • ইমেইল লিস্ট বিল্ডিং
  • কনভার্সন রেট অপটিমাইজেশন (লিংক বিল্ডিং)
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • পেইড মার্কেটিং (অ্যাডওয়ার্ড, ফেসবুক, মিডিয়া বাই প্রভৃতি)

একজন সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে সর্বশেষ আমি আপনাদেরকে এতটুকু বলতে পারি যে উক্ত বিষয় গুলা যদি আপনি ভালো করে আয়ত্ত করতে পারেন তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ আপনি খুব দ্রুত সফল হবেন। বর্তমানে আমাদের দেশে এন্ট্রি লেভেলের এমন অনেক মার্কেটার আছে যারা মোটামুটি প্রতিমাসে ১০০০ থেকে ২০০০ ডলার আয় করছে এবং আমি মনে করি এটি অনেক সম্মান জনক পেশা। আপনাদের শুভ কামনাই আজকের মতো শেষ করছি। আশা করছি পরবর্তীতে আরও কিছু টিপস নিয়ে আপনাদের সামনে আসতে পারবো।
এডসেন্স পাবলিশারদের যেই ১০ টি বিষয় জানা দরকার!

এডসেন্স পাবলিশারদের যেই ১০ টি বিষয় জানা দরকার!


আপনি কি একজন এডসেন্স পাবলিশার? যদি আপনি একজন এডসেন্স পাবলিশার হন তাহলে আসুন জেনে নিই ১০ টি বিষয়। যে ১০ টি বিষয় এডসেন্স পাবলিশারদের না জানলেই নয়। ক্লিক ও ইম্প্রেশন গুগল এডসেন্স পাবলিশারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয়। এছাড়াও আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলো একজন পাবলিশারের জানা না থাকলে সে খুব বেশি দিন এডসেন্স এ টিকে থাকতে পারবেনা।  আমাদের দেশে নতুন এডসেন্স পাবলিশার মধ্যে দেখা যায় তারা এডসেন্স এর কোন গাইডলাইন না জেনেই এডসেন্স ব্যবহার করে। ফলে তাদের অ্যাকাউন্টটি ও খুব স্বাভাবিকভাবে অকার্যকর হয়ে যায়।

১. নিজের সাইটের বিজ্ঞাপনে নিজে ক্লিক করবেন না

নতুন এডসেন্স পাবলিশার এডসেন্স সম্পর্কে আর কিছু না জানলেও এটা তারা খুব ভালভাবেই জানে যে এডসেন্স এর বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে তার অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হবে। এইজন্য তারা সময় পেলেই নিজের সাইটের বিজ্ঞাপনে দুইটা ক্লিক করে কিছু আয় রোজগার বাড়িয়ে নেয় আর কিছু পরে সাইটে কোন বিজ্ঞাপন না দেখে হতাশ হয়ে যায়। কিন্তু প্রত্যেক এডসেন্স পাবলিশারদের এই বিষয়টি জানা এবং বোঝা উচিত যে, সে যে পিসি ব্যবহার করে তার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করছে আবার সেই পিসি থেকে তার সাইটের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করছে এটি গুগল সহজেই ধরতে পারে। গুগল কি এতোই বোকা যে আপনি গুগলের চোখকে ফাঁকি দেবেন?

২. বন্ধু অথবা ভিজিটরদেরকে ক্লিক করতে উৎসাহিত করবেন না

অনেক এডসেন্স পাবলিশার আছে যারা তাদের বন্ধু এবং আত্মীয়দেরকে তাদের সাইটে প্রদর্শিত এডসেন্স বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে উৎসাহিত করেন। ফলে দেখা যায়, বন্ধু এবং আত্মীয়রা তার আয়টা একটু বৃদ্ধির জন্য বিজ্ঞাপনে চার-পাঁচটা ক্লিক করতে কার্পণ্য বোধ করেন না। আর ফলে রোজগারের পুরোটাই গুগলের হয়ে যায়। আবার অনেকে দেখা যায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাদের নিজের সাইটে, অন্য সাইটে বা ইমেইল এর মাধ্যমে ভিসিটরদেরকে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে উৎসাহিত করে। যেটা গুগল এডসেন্স এ একেবারেই নিষিদ্ধ। কারন ভিসিটররা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে কারণ তারা বিজ্ঞাপনে প্রদর্শিত সার্ভিস বা বিষয়টিতে আগ্রহী এবং তারা টাকা বা কোন ধরনের পুরুষ্কার পাওয়ার জন্য বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে না।

৩. খুব সাবধানতার সাথে বিজ্ঞাপন বসান

এডসেন্স  বিজ্ঞাপন বসানোর সময়  খুব সাবধান থাকবেন। এমনভাবে বিজ্ঞাপন বসাবেন না যাতে করে ভিসিটররা অসাবধান বা অসচেতনভাবে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে ফেলে। আপনার সাইটে যদি কোন ফ্লাস কন্টেন্ট থাকে তাহলে এডসেন্স এর নিয়ম অনুযায়ী ফ্লাস কন্টেন্ট এবং বিজ্ঞাপনের মাঝে ১৫০ পিএক্স দূরত্ব রাখুন। আপনার সাইটি যদি গেমস অথবা ভিডিও নিয়ে হয় তাহলে এমনভাবে বিজ্ঞাপন বসাবেন না যাতে করে ভিসিটররা দ্বিধা দ্বন্দে পড়ে যায়। আর আপনার সাইটটি যদি গেমস অথবা ভিডিও নিয়ে হয়ে থাকে তাহলেতো Adsense for videos এবং Adsense for games আছেই।

৪. সাইট প্রমোট করার ক্ষেত্রে সচেতন থাকুন

আপনার সাইটিকে প্রমোট করার ক্ষেত্রে অনেক সচেতন থাকুন। আপনার সাইটের জন্য ট্রাফিক কেনা অথবা তৃতীয় পক্ষের কোন সাইটে বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইন করার সময় অনেক সচেতন থাকুন। বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কগুলো বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগে দেখে নিন তারা আপনার সাইটটিকে প্রমোট করার জন্য পপ-আপ অথবা কোন সফটওয়ারের কার্যের ফলাফল হিসেবে আপনার সাইটিকে প্রমোট করছে কিনা!

৫. সাইট থেকে এডসেন্স বিজ্ঞাপন কোড সম্পাদনা করবেন না

অনেক পাবলিশারদের ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা তাদের সাইট থেকেই বিজ্ঞাপনের সাইজ অথবা অন্যান্য কোড পরিবর্তন করেন যেটা একদমই ঠিক নয়। আপনার যদি বিজ্ঞাপন এর কোন কিছু পরিবর্তন করতেই হয় তাহলে এডসেন্স ড্যাসবোর্ড থেকেই করুন।

৬. অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপন পপ-আপ অথবা কোন সফটওয়ারে ব্যবহার করবেন না

বিজ্ঞাপনে অধিক ক্লিক এর আশায় কখনো পপ-আপ ব্যবহার করবেন না। এছাড়া কোন সফটওয়ারে এডসেন্স বিজ্ঞাপন কোড ব্যবহার করবেন না।

৭. একের অধিক এডসেন্স আকাউন্ট তৈরি করবেন না

অনেকে পাবলিশারদেরকে দেখা যায় যাদের একটি এডসেন্স অ্যাকাউন্ট থাকা স্বত্বেও অধিক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে, যেটা করা একবাবেই উচিত নয়। দুইটা এডসেন্স অ্যাকাউন্ট থেকে একই সাইটে বিজ্ঞাপন দেখাই যেটা অ্যাডসেন্স এর রুলস ভংগ করে। এছাড়া আপনি যেখানে একটা এডসেন্স ব্যবহার করে ৫০০ টি সাইটে বিজ্ঞাপন দেখাতে পারছেন সেখানে একের অধিক অ্যাকাউন্ট এর কোন প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না।

৮. কপি কন্টেন্ট অথবা কন্টেন্ট নাই এমন পেজে বিজ্ঞাপন বসাবেন না

এডসেন্স পাবলিশারদের এমন কোন পেজ এ বিজ্ঞাপন দেখানো উচিত নয় যে পেজে সবটুকুই কপি করা কন্টেন্ট অথবা যে পেজটিতে কোন কন্টেন্টই নাই। এমন পেজ এ বিজ্ঞাপন বসানো যাবেনা যেটা কেবই বিজ্ঞাপন দেখানোই জন্য তৈরি করা হয়েছে।

৯. একই পেজে অধিক পরিমান বিজ্ঞাপন বসাবেন না

অনেক পাবলিশাররা মনে করেন যত বেশি বিজ্ঞাপন তত বেশি ক্লিক এবং টাকা! কিন্তু এই ধারনাটি একেবারেই ঠিক নয়। যত বেশি বিজ্ঞাপন ইউনিট বসাবেন ততোই CTR (Click Through Rate) কমবে। গুগল এডসেন্স পাবলিশারদেরকে একটি পাতায় সর্বোচ্চ ৩ টা বিজ্ঞাপন ইউনিট বসানোর অনুমতি দেয়।

১০. গুগল ট্রেডমার্ক কে শ্রদ্ধা করুন

কখনোই গুগলের গঠন এবং এবং গুগলের কোন প্রোডাক্টের ট্রেডমার্ক, লোগো, ওয়েবপেজ অথবা স্ক্রিনসট ব্যবহার করবেন না।

উপরে আলোচিত ১০ টি বিষয়ই প্রত্যেক অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের জানতেই হবে।
এডসেন্স থেকে আশানুরূপ আয় করতে পারছেন না !

এডসেন্স থেকে আশানুরূপ আয় করতে পারছেন না !



আপনি ব্লগিং করছেন, কিন্তূ আশানুরূপ ইনকাম করতে পারছেন নাহ? আশা করেছেন অনেক বেশি হবে কিন্তু এখন খুব একটা বেশি হচ্ছেনা? কিন্তূ কেন? হ্যাঁ, কারনতো একটা আছেই। আপনি সামান্য কিছু ভুলের জন্য আপনার ইনকাম ইনক্রেজ করতে পারছেন নাহ । আমি এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের যে ভুলগুলির কারনে আশানুরূপ ইনকাম করতে পারছেন নাহ সেটি দেখিয়ে দেব এর পর থেকে আপনি নিজেই আপনার ভুল গুলো শুধরে নিবেন। আসুন তাহলে শুরু করা যাক ।
  •  নিশ আপনার ইনকামে অনেক বড় পার্থক্য গড়ে দেয় :

আপনার ব্লগের নিশ আইডিয়া আপনার ব্লগে বড় ধরনের পার্থক্য গড়ে দেয়। ধরুন আপনার ব্লগ ব্লগিং, ওয়েব ডিজাইন এবং ইন্টারনেটে টাকা উপায়ের ভিত্তিতে করেন তাহলে আপনি ধরে নিন আপনি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম ক্লিক পাবেন। দীর্ঘদিন যাবৎ যখন অ্যাডসেন্সে ক্লিক পরবে না তখন গুগল নিজে থেকেই আপনার কী- ওয়ার্ডের CPC কমিয়ে দেবে । উদাহরন সুরূপ, আপনার ব্লগ করা হয়েছে বিভিন্ন ব্লগিং টিপস নিয়ে তাহলে স্বাভাবিক কারনেই আপনি ব্লগার অথবা ওয়েব মাষ্টারদের আপনি সাইটে ভিজিটর হিসাবে পাবেন এবং বেশির ভাগ ব্লগার এবং ওয়েব মাস্টাররাই আপনার এডে ক্লিক করবেনা 

আপনি নিজেই বলেন আপনি কয়টি ক্লিক করেন ? আমি নিজেও এই ধরনের এডে ক্লিক করিনা  তাহলে এখন কি করবেন ? ব্লগিং ছেড়ে দিবেন? নাহ, ব্লগিং ছেড়ে দিবেন কেন ? ক্লিক পড়ে এমন হাজার হাজার নিশ আছে আছে আমি তার মধ্যে থেকে বেশ কিছু নিশ শেয়ার করছি এবং আপনি চাইলে গুগলিং করে অনেক নিশ আইডিয়া পাবেন ।
  • ব্লগের দুর্বল নেভিগেশন ও ইন্টারনাল লিঙ্কিং এর জন্য :


আপনার ব্লগের দুর্বল নেভিগেশন আপনার আশানুরূপ ইনকাম না হওয়ার অন্যতম অন্তরায়! তাছাড়া সার্চ ইঞ্জিন ক্রাওলার, আডসেন্স ক্রাওলার, আপনার ব্লগ কন্টেন্ট থেকে ইনফরমেশন নিয়ে ওই কন্টেন্ট রিলেভেন্ট অ্যাডস শো করে।
আর আপনার সাইটের ইন্টারনাল লিঙ্কিং অনেক বেশি কাজের। যদি আপনার ভালো ইন্টারনাল লিঙ্কিং এবং সাইট নেভিগেশন স্ট্রাকচার না থাকে তাহলে সার্চ ইঞ্জিন ক্রাওলার এবং আডসেন্স ক্রাওলার আপনার সাইট থেকে সঠিক ইনফরমেশন  নিতে পারেনা বিধায় আপনার সাইটে ই-রিলেভেন্ট অ্যাডস দেখায়। আর ই-রিলেভেন্ট অ্যাডস মানে কি বুঝতেই পারছেন ? তাহলে খুব বেশি নজর দিন আপনার সাইটের উপর !
  • ব্লগে সঠিকভাবে এডসেন্স এডস না বসানোর জন্য :

অ্যাডস অপটিমাইজ করা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি আপনার সাইটে অ্যাডস ঠিক মত অপটিমাইজ করতে না পারেন তাহলে আপনার ইনকাম অনেক বেশি কমে যাবে আর অপটিমাইজ করতে পারলে অনেক বেশি বাড়ার সম্ভাবনা থাকবে, তাছাড়াও উক্ত কারনে এডসেন্স আপনার CTR কমিয়ে দিতে পারে।
এড অপটিমাইজ করুন আর আর্নিং বাড়ান দ্বিগুন!

এড অপটিমাইজ করুন আর আর্নিং বাড়ান দ্বিগুন!


ব্লগিং জগতে একটা কমন প্রশ্ন আছে আর তা হল- ভাই ভিজিটর তো আছে, কিন্তু এডস্‌ এ ক্লিক তো আশানুরূপ আসে না? ( আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এই প্রশ্নের মুখোমুখি অনেকবার হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবার চেষ্টা করব।

আপনি দিনে কত ভিজিটর পান? ৩০০ বা ৪০০ জন (ইউনিক), পেজ ইম্প্রেশন ১০০০ বা ২০০০ টা। কিন্তু এডস্‌ এ ক্লিক পাচ্ছেন মাত্র ২০, ৩০ বা সবোর্চ্চ ৫০টা। আমি আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলব, আমি যদি কোন সাইটে/ব্লগে ৪০০ জন ভিজিটর আর পেজ ইম্প্রেশন ১০০০ বা ১৫০০ টা পাই তাহলে আমি এডস্‌ ক্লিক পাব ১২০ বা তারও চেয়ে বেশি। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? তা হলে এইবার নিজেই পরখ করে দেখুন-



আপনি যদি আপনার সাইটে/ব্লগে যথাযথ ভাবে এডস্‌ বসাতে পারেন আপনার এডস্‌ এ ক্লিক অবশ্যই বাড়বে। এখন কথা হল কিভাবে আপনি আপনার ব্লগে/সাইটে এডস্‌ বসাবেন?

১. ব্লগের/সাইটের কন্টেন্ট (টেক্সট্‌) এর কালার (রং) এবং আপনার এডস্‌ এর (টেক্সট্‌) কালার এক রাখুন।

২. ব্লগের/সাইটের ব্যাগ্রাউন্ড কালার (রং) এবং আপনার এডস্‌ এর ব্যাগ্রাউন্ড কালার এক রাখুন।

৩. আপনার সাইটের লিংকবারের ঠিক নিচেই আপনি আপনার এডসেন্স এর লিংক এডস্‌ টি বসান। এটি বেশ কাজের। এখানে অনেক বেশি ক্লিক পড়ার সম্ভবনা থাকে।

৪. ছবির নিচে এডস্‌ দিবেন না, তাতে আপনার এডসেন্স বাতিল হয়ে যেতে পারে।





 





উদাহরন ১
 ৫. লেখার শুরুতে একটা এডস্‌ দিন। সেটার সাইজ (৩৩৬ X ২৮০ বা ৩০০ X ২৫০) ডান পাশে অথবা বাম পাশে বসান। বা আপনি আপনার পোস্টের শুরুতে (৪৬৮ X ৬০) সাইজের এডস্‌ টা মাঝে ব্যবহার করতে পারেন। এটাও বেস কাজে দেয়।




 





উদাহরন ২
৬. লেখার শেষে একটা এডস্‌ দিন। সেটার সাইজ (৩৩৬ X ২৮০ বা ৩০০ X ২৫০) মাঝ পাশে অথবা বাম পাশে বসান।




 





উদাহরন ৩
৭. চেষ্ঠা করুন ২ কলামের টেমপ্লেট ব্যবহার করতে। আর সাইডবার টা যাতে ডান পাশে থেকে। কারন একজন ভিজিটর আপনার ব্লগের লেখা পড়তে পড়তে ডান পাশে চলে আসে। ৩ কলামের টেমপ্লেটের ক্ষেত্রে বাম পাশের সাইড বারে বিভিন্ন গেজেট দিয়ে পূর্ণ করে দিন, আর ডান পাশে কিছু গেজেটের সাথে এডস্‌ দিন।


৮. আপনি আপনার সাইটে এডস্‌ গুলো এমন ভাবে বসান যাতে, ভিজিটর পোস্টের যেখানেই চোখ রাখুক না কেন সে যাতে এডস্‌ দেখতে পায়।

৯. চেষ্টা করুন- যতটা সম্ভব ব্লগে গেজেট কম ব্যবহার করতে, কারন তাতে সাইট লোড হতে সময় বেশি নেয় এবং সাইটে এডস্‌ গুলো গেজেটের ভিড়ে হারিয়ে যায়।

উপরুক্ত নিয়মাবলি অনুসরন করুন। আশা করি আপনার আর্নি ডাবল হয়ে যাবে।
বিঃ দ্রঃ উপরুক্ত নিয়মাবলির কোনটিই বৈঙ্গনিক নিয়ম নয়। এই গুলো সুধু আমার ব্যাক্তিগত অভিঙ্গতা থেকে বলা।

এডসেন্স আয় ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারেন যে ৬ উপায়ে

এডসেন্স আয় ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারেন যে ৬ উপায়ে

এডসেন্স একাউন্ট করে ফেললেই শুধু টাকা আর টাকা আসতে থাকবে কিন্তু এমন ভাবনা একেবারেই ঠিক নয়। এডসেন্স থেকে মোটামুটি পরিমানে আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই বেশকিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে এবং সেভাবে শুরু থেকেই কাজ করে এগিয়ে যেতে হবে, আর যেভাবে আগালে আপনি এডসেন্স থেকে ভাল পরিমানে আয় করতে পারেন। আমি প্রথম থেকেই এই বিষয়টির উপর অনেক অনেক সচেতন ছিলাম।


তবে বিভিন্ন বিষয়ে এক্সপেরিয়েন্স এবং লেখার মানের উপরও নির্ভর করে অনেক কিছু। অ্যাডসেন্স রেভিনিউ বৃদ্ধি করতে আমি শুরু থেকেই বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টাল কাজ করেছিলাম। কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো কাজ করেনি আবার কিছু ব্যপার আছে যা অনেক কাজ করেছিলো আমার জন্য। আজ আমি আপনাদের সাথে সেই বিষয়গুলো শেয়ার করবো।

কিওয়ার্ড রিসার্স করে টার্গেটেড পোষ্ট লিখাঃ

ভালো ব্লগাররা প্রতিটা পোষ্ট করার আগেই ইউজারের চাহিদা, ইণ্টেনশন এবং সে অনুযায়ী কিওয়ার্ড বাছাই এর সাথে সাথে ওই কিওয়ার্ডে কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট করলে কেমন পরিমাণ আয় করা সম্ভব সেগুলো ভেবে নেয়। প্রোফিটেবল কিওয়ার্ড বাছাই এবং কম্পিটেশন যাচাই এর সমষ্টি হচ্ছে কিওয়ার্ড রিসার্স, আর এটি অ্যাডসেন্স থেকে রেভিনিউ বৃদ্ধি করার অনেক বড় একটি বিষয়। আপনারা হয়তো জানেন যে প্রতিটি কিওয়ার্ড বা ফ্রেজের জন্য অ্যাডসেন্স এর এপ্রোক্স একটা রেট আছে যাকে CPC (Cost Per Click) বলে যা মূলত গুগলকে এডভার্টাইজারদের পে করতে হয়। গুগল বলে তারা মোট CPC এর ৬৮% (max) পাবলিশারদের পে করে। আর তাই পাবলিশারদের জন্য CPC নিয়ে ভাবা খুবি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় বলে বিবেচিত। এজন্য আমি আমার ব্লগে যে বিষয়গুলো নিয়ে লিখি সেসব বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত কিওয়ার্ডগুলো রিসার্স করতে থাকি যেগুলোর CPC মোটামুটি ভাল।

কিওয়ার্ড রিসার্সের জন্য ফ্রি Adwords Keyword Tool ব্যবহার করতে পারেন। কিওয়ার্ড রিসার্সের সময় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত সেগুলো হল, যে কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করতে যাচ্ছেন সেটার মান্থলি সার্চ ভলিউম কেমন, CPC কেমন, বিজ্ঞাপনদাতা আছে কিনা (এডওয়ার্ড কম্পিটেশনে হাইটাকে বাছাই করুন, কোন কোন ক্ষেত্রে মিডিয়াম নেয়া যেতে পারে) এবং কিওয়ার্ডটি লং টার্ম সার্চ হবে কিনা এছাড়াও বছরের সব সময়ই সার্চ হয় কিনা (গুগল ট্রেন্ডস দেখে নেয়া যেতে পারে) কিওয়ার্ড রিসার্স করে লিখলে ভিজিটরের সংখ্যাও বেড়ে যায়, ভিজিটর বাড়া মানে ক্লিক পড়ার চান্সও বেড়ে যাওয়া। সুতরাং টার্গেটেড কিওয়ার্ড বেসড করে পোষ্ট লিখুন দেখবেন এডসেন্স রেভিনিউ দ্রুত গতিতে বেড়ে যাচ্ছে।

অরিজিনাল ও কোয়ালিটি কন্টেন্ট লেখাঃ

এডসেন্স থেকে ভালো আয় করার প্রথম শর্তই হচ্ছে ভিজিটরের চাহিদা মাফিক আরিজিনাল এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন কন্টেন্ট নিয়মিত ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা। সেজন্য অবশ্যই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যেনো সাইটে কপি পেস্ট কন্টেন্ট না দেয়া হয়। কপি পেস্ট পোষ্ট লিখে এডসেন্স থেকে ভালো রেভিনিউ আনার কথা চিন্তা জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা ছাড়া বিশেষ কিছুই না। কোয়ালিটি সম্পন্ন কন্টেন্টে হাইপেয়িং বিজ্ঞাপনদাতাদের এডস আসে, যারা ক্লিকের জন্য বেশ ভালো সিপিসি দিতে আগ্রহী থাকে। বুঝতেই পারছেন অরিজিনাল এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন পোষ্ট লিখার গুরুত্ব কেমন। সুতরাং এডসেন্স রেভিনিউ বৃদ্ধি করতে এখন থেকেই চাহিদা মাফিক কপি পেস্ট বিহীন কোয়ালিটি পোষ্ট লিখায় মনোযোগ দিন।


ট্রাফিক বিল্ডিং বিশেষ করে এসইও তে জোর দেওয়াঃ

আমরা নিশ্চই জানি, যেকোন বিজনেস এর ক্ষেত্রেই ট্রাফিক=টাকা। ঠিক এক্ষেত্রেও যত বেশি ট্রাফিক তত বেশি আয় করার সুযোগ, যদি সঠিক ভাবে সাইটের অন্যান্য সম্পূরক বিষয় গুলো কাজে লাগানো যায় তবেই। আর তাই এডসেন্স কাজ করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ট্রাফিক বৃদ্ধিতে জোর দিতে হবে। জানতে হবে ট্রাফিক বাড়ানোর কৌশল গুলো বিশেষ করে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর এ টু জেড। কারন এডসেন্স মূলত সার্চ ইঞ্জিন থেকে আগত টার্গেটেড ট্রাফিকদের ক্লিককে বেশি প্রায়ওরিটি দেয়, এতে আয় ভালো হয়। তাই এডসেন্স পাবলিশাররা এসইও নিয়েই বেশি মেতে থাকে। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ গুরত্ব দিতে হবে আপনাকে কারন সার্চ ইঞ্জিনে ভালো রেংক পেতে হলে পরোক্ষভাবে এটি হেল্প করে। আমরা কেউ কেউ হয়তো জানি কিছু দিন আগে গুগল সাইট রেংকিং করতে সোশ্যাল সিগন্যাল এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছে। সুতরাং এখন থেকে এসব ব্যাপারে সিরিয়াস হোন।

বিজ্ঞাপন চ্যানেল বসানো নিয়ে এক্সপেরিমেন্টঃ

অ্যাডসেন্স এর CPC অনেক অনেকাংশে বিজ্ঞাপণের সংখ্যা এবং বসানোর যায়গার উপর নির্ভর করে। যেমন পোস্ট এর শিরোনামের ঠিক নিচে বসানো বিজ্ঞাপনের CPC অন্যান্য যায়গার তুলনায় বেশি। এজন্য আমি পোস্টের শিরোনামের পরেই এডসেন্সের এর বিজ্ঞাপন বসাই এবং পোস্টের মাঝে বা শেষে একটি বিজ্ঞাপন বসাই, এক্ষেত্রে আমি আরো একটি বিষয় খেয়াল রাখি যেটি হচ্ছে কোন ফরমাটের বিজ্ঞাপনের CTR (Click Through Rate) কেমন। তবে অবশ্য গুগলে নতুন আপডেট এবভ দ্যা ফোল্ড এই বিষয়টি জানা জরুরী।

পোস্টের শুরুতে এবং শেষে Large Rectangle 336 x 280  বিজ্ঞাপন ইউনিট বসাতে পারে। কারন এই ফরম্যাট টির CTR(Click Through Rate) সবচাইতে বেশি আর আয়ও ভালো আসে। নিচে অ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপন ফরম্যাটগুলোর সম্ভাব্য CTR(Click Through Rate) গুলো দেখানো হলঃ

পোস্টের শুরুতে এবং শেষে বিজ্ঞাপন বসানোর আরেকটি ভাল দিক হচ্ছে এখানে ক্লিক পড়ার সম্ভবনা অনেক বেশি। কারন অ্যাডসেন্স সবসময় পোস্ট সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে যারা ফলে পাঠকেরা পোস্ট পড়ার শুরু বিজ্ঞানের একেটি রিসোর্স পেতে পারে। আবার পোস্ট টা যদি পাঠকের চাহিদা মেটাতে সক্ষম না হয় তাহলে সে পোস্টের শেষে প্রদর্শিত বিজ্ঞানটিতে বিকল্প রিসোর্স হিসেবে ক্লিক করতে পারে। আরেকটি বিষয় যেটি আমি অবশ্যই করতে বলবো আপনাদের যেটি হচ্ছে বিজ্ঞাপন ইউনিট গুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড রঙ পেজ ব্যাকগ্রাউন্ড রঙের সাথে মিলিয়ে দিতে যাতে করে বিজ্ঞাপন গুলো যে আসলেই বিজ্ঞাপন সেটি পাঠকেরা সহজে বুঝতে না পারে, আরও তথ্য হিসাবে ব্রাউজ করবে।




যে বিষয়টি অনেকদিন থেকে খেয়াল করে আসছি সেটি হল, কোন মতেই যেন বিজ্ঞানপন ইউনিট এর সাথে পোস্টের ছবি গুলি লেগে না থাকে কারন এটি অ্যাডসেন্স এর নিয়ম ভংগ করে। আমি আমার ব্লগের সাইডবারে ও একটি বিজ্ঞাপন ইউনিট বসাই এতে ঐ বিজ্ঞাপন ইউনিটটি সবসময় ইম্প্রেসন পায়। আমি আমার সাইটের পেজে সর্বোচ্চ ৩ টা বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যবহার করি কারন অধিক বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যবহার করলে CTR(Click Through Rate) কমে যায় (পরীক্ষিত)। আমার কাছে অ্যাডসেন্স আর রেভিনিউ বৃদ্ধি করার জন্য বিজ্ঞাপন বসানোকে অনেক গুরুত্তপুর্ন মনে হয়েছে। আবার মাঝে মাঝে আমি অ্যাডসেন্সের এড বসানো নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করি। আপনিও করে দেখতে পারে, আশা করছি ভালো কিছু বেরিয়ে আসবে। নিচের আমার এই বিষয়ে লেখা দুইটা আর্টিকেল আছে পড়ে নিতে পারেন উপকার হবে।

ইরিলেভেন্ট বিজ্ঞাপনদাতাদের ব্লক করাঃ

রিলেভেন্ট এডস শো হওয়া মানেই হচ্ছে ভালো আর্নিং। অনেক ক্ষেত্রেই কন্টেন্ট কোয়ালিটি সম্পন্ন হওয়া স্বত্তেও অ্যাডসেন্সে ইরিলেভেন্ট এবং কম পে করে এমন এডস সাইটে শো করে। অ্যাডসেন্সের দারুন একটি ফিচার হচ্ছে ইরিলেভেন্ট বিজ্ঞাপন দাতাদের ব্লক করা। এটি খুবি কার্যকরী একটা অপশন। Keyword Tools, Spyfu বা KeywordSpy জাতীয় টুল দিয়ে কম পরিমান পরিশোধ করে এমন বিজ্ঞাপনদাতাদের খুঁজে বের করা যায় এবং সাইটে প্রদর্শিত পূর্বের এডস গুলো পর্যবেক্ষন করেই আমরা ইরিলেভেন্ট এডভার্টাইজার ডিটেক্ট করতে পারি। তারপর এদেরকে অ্যাডসেন্স ড্যাসবোর্ড  থেকে > Allow and block ads > Blocking Options > Advertisers URL গিয়ে ব্লক করা যেতে পারে।

বিজ্ঞাপন চ্যানেল তৈরি

বিজ্ঞাপন চ্যানেলও গুরুত্তপুর্ন একটি বিষয়। আমি প্রতিটা বিজ্ঞাপন ইউনিটের জন্য আলাদা করে চ্যানেল তৈরি করি যাতে করে আমি বুঝতে পারি কোন বিজ্ঞাপন ইউনিট থেকে আমার কেমন আয় হচ্ছে এবং সেটা কোনটা বা কোন পেজ থেকে। এভাবে আমি যেই বিজ্ঞাপন ইউনিট এবং যে পোস্ট থেকে ভাল আয় হচ্ছে যেটার উপর বেশি নজর দেই।

অন্যান্য বিষয়ঃ

অ্যাডসেন্স থেকে আয় করার গুরুত্তপুর্ন বিষয় হল পেজ ভিউ বারানো, ভিজিটরকে সাইটে বেশি সময় ধরে রাখা। আমি পেজ ভিউ বাড়ানোর জন্য অনেক কাজ করি যেমন যখন নতুন একটি পোস্ট করি তখন ঐ পোস্ট সম্পর্কিত অন্য পোস্ট গুলি ইন্টারনাল লিঙ্ক করে এবং পোস্টের নিচে রিলেটেড পোস্ট দেখাই এতে করে ভিজিটররা একটা পোস্ট থেকে অন্য পোস্ট যায় যার ফলে পেজ ভিউ বৃদ্ধি পায় সাথে সাথে CTR (Click Through Rate) ও বৃদ্ধি পায়। আরেকটা বিষয় আমি প্রথম থেকেই গুরুত্ত দিতাম সেটি হল অ্যাডসেন্স এর নিয়ম নীতি। কারন অ্যাডসেন্স এর নিয়ম অনুসরন না করলে অচিরেই আপনার অ্যাডসেন্স বাতিল হয়ে যাবে। আমি অ্যাডসেন্স এ যে বিষয়গুলো হাইলাইট করা হয়েছে সেগুলি মেনে কাজ করতে থাকি। এখান থেকে আপনি অ্যাডসেন্স এর নিয়ম গুলো দেখে নিতে পারেন AdSense program policies. এছাড়াও আপনারা ছোট ছোট নিশ বেসড সাইট নিয়ে আগাতে পারেন যার সাফল্যের হার খুব ভালো হয়। তবে গুগলের ই.এম.ডি আপডেট এর ব্যপারে সাবধান হয়ে এগুতে হবে।

গুগল এডসেন্স (Google Adsense) ইনকাম কিভাবে বাড়াবেন?

গুগল এডসেন্স (Google Adsense) ইনকাম কিভাবে বাড়াবেন?

অনেকেই আছেন যাদের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা Visitors থাকা সত্ত্বেও Google Adsense থেকে ভালো ইনকাম হয়না। সোজা ভাবে বললে Adsense CPC এবং AD Click অনেক কম এবং ফলে ইনকাম ও অনেক কম হয়ে যায়। এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের এমন একটি Adsense এর Official মাধ্যমের বেপারে বলবো যেটা ব্যবহার করলে আপনাদের গুগল এডসেন্স ইনকাম অবশই ৪০% থেকে ৬০% বেড়ে যাবে।

আমি, গত ৩ মাস থেকে এই মাধ্যম ব্যবহার করছি। এবং আমার Adsense Revenue (এডসেন্স এর আয়) ৬০% বেড়ে গেছে। পরিনাম দেখার পরেই আমি আপনাদের সাথে এই Adsense Revenue Increase এর মাধ্যম শেয়ার করছি। এই মাধ্যম এপ্লাই করলে আপনাদের এডসেন্সের বিজ্ঞাপনে ক্লিক (click) বেশি হবে এবং সেই ক্লিক গুলিতে CPC অনেক বেশি করে পাবেন। ফলে, আপনার এডসেন্স ইনকাম অনেক বেশি বেড়ে যাবে।



তাহলে চলুন, সময় নষ্ট না করে আমরা গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপনের CPC, Click এবং ইনকাম কিভাবে বাড়াবেন সেটা জেনে নেই। 

কিভাবে এডসেন্স ইনকাম বাড়াবেন ?
মনে রাখবেন এডসেন্স এর আয় বাড়িয়ে নেয়ার জন্য আপনার প্রথমেই কিছু সাধারণ জিনিসের ওপরে ধ্যান রাখতে হবে। যেমন, Ad Placement, Auto Ads ব্যবহার করছেন কি না, একটি আর্টিকেলে কয়টি করে এড Show করছেন এবং কোন Ads এর প্রকার ব্যবহার করছেন।
  1. Ad Placement – মনে রাখবেন, সবসময় বিজ্ঞাপন পেজে/আর্টিকেলে ৩ টি বা ৪ টি ব্যবহার করবেন। প্রথম Paragraph এ একটি Display ad অবশই দেখাবেন। Targeted এবং User Focused Ads ব্যবহার করলেই বিজ্ঞাপনে Clicks বেশি হবে এবং বেশি CPC থাকা বিজ্ঞাপন আপনার আর্টিকেলে দেখানো হবে। ফলে এডসেন্স বিজ্ঞাপন থেকে আপনার আয় বেড়ে যাবে।
  2. Auto Ads এর ব্যবহার – Google Adsense এ Auto Ads বলে একটি ফাংশন (Function) রয়েছে যেটা Activate করলে আপনার ব্লগে এবং আর্টিকেলে নিজে নিজেই কিছু বিশেষ জায়গায় বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। তাই Display/Text, In Article Ads, Anchor Ads এবং Vignette Ads এই ধরণের Auto Ads অবশ্যই ব্যবহার করবেন। এগুলি অনেক লাভজনক।
  3. Ads এর সংখ্যা – আমি আগেই বলেছি, আর্টিকেলে অধিক বিজ্ঞাপন দেখানোর কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। কেবল ২ থেকে ৩ টি Ad Units (Display/Text) Ads ব্যবহার করবেন। তাছাড়া, Auto Ads Activate থাকলে User এবং Reader দেড় সুবিধা এবং সুযোগ বুঝে তাদের High CPC বিজ্ঞাপন দেখানো হবেই।
  4. বিজ্ঞাপনের প্রকার – মনে রাখবেন, ৩ থেকে ৪ টি বিজ্ঞাপন বা Ad Units ব্যবহার করলে সেখানে ২ টি Display /Text Ad Units ব্যবহার করবেন এবং বাকি ২ টি Link Ads ব্যবহার করবেন। আর্টিকেলের ওপরে এবং মাঝে বিজ্ঞাপন গুলি মিলিয়ে প্লেসমেন্ট করবেন। দেখবেন আপনার Ads এ ক্লিক বেশি হবে এবং Clicks এ CPC ও বেশি করে পাবেন।
Adsense Ads এবং Ad Placement এর এই সাধারণ জিনিসগুলির বেপারে ধ্যান রাখলে আপনার এডসেন্সের ইনকাম ৩০% এমনিতেই বেড়ে যাবে। মনে রাখবেন, Auto Ads বিজ্ঞাপন ব্যবহার করবেন এবং ৩ থেকে ৪ Ad Units ব্যবহার করবেন। Ad Units গুলির মধ্যে ২ টি Display Image Ads এবং ২ টি লিংক Ads ব্যবহার করবেন।

কম সংখ্যাতে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে, আপনার আর্টিকেলে User বা Visitors দেড় টার্গেটেড (Targeted) বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। ফলে, বিজ্ঞাপনে Clicks বেশি হবে এবং সেই বিজ্ঞাপন গুলিতে CPC  (Cost Per Click) বেশি করে পাবেন।

সোজা ভাবে বললে, আপনার গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম অনেক বেশি বেড়ে যাবে। ওপরের সাধারণ নিয়ম গুলি ব্যবহার করলে এডসেন্স এর আয় ২০% থেকে ৩০% বাড়িয়ে নেয়া যাবে সেটা ঠিক। কিন্তু, Adsense ইনকাম বৃদ্ধি করার যেই অফিসিয়াল (Official) মাধ্যম বা নিয়মের কথা আমি বলতে চাচ্ছি সেটা কিন্তু এখনো আমি আপনাদের বলি নাই।


Adsense আয় বৃদ্ধি করুন Optimization এর মাধ্যমে (Increase Adsense Income)

Google Adsense এর একটি নতুন Feature দেয়া হয়েছে Optimization > Ad Balance . Ad Balance অপশনে গিয়ে আপনারা নিজের ব্লগে দেখানো এডসেন্স এডস (Adsense Ads) এর পরিমান কমিয়ে কেবল বেশি টাকা দেয়া এডস গুলি দেখাতে পারবেন। মানে, Ad Balance এর মাধ্যমে আপনারা কেবল সেই বিজ্ঞাপন গুলি আর্টিকেল বা ব্লগে দেখাতে পারবেন যেগুলি সব থেকে বেশি ইনকাম দিচ্ছে।
ফলে, অপ্রয়োজনীয় এবং কম CPC থাকা বিজ্ঞাপন আপনার ব্লগে দেখানো হবেনা। এতে User বা Visitor আপনার আর্টিকেল পড়ে কোনো অসুবিধা হবেনা এবং যেগুলি বিজ্ঞাপন দেখানো হবে সেগুলি High CPC বিজ্ঞাপন হবে। যেগুলির দ্বারা আপনি সব থেকে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন।

স্টেপ ১.
সবচে আগেই আপনার যেতেহবে Google Adsense এর ওয়েবসাইটে এবং নিজের ইমেইল আইডি/পাসওয়ার্ড দিয়ে করতে হবে একাউন্ট লগইন। তারপর Adsense Account Dashboard এর বামদিকে আপনারা একটি option দেখবেন “Optimizations“. Optimizations এ ক্লিক করার পর নিচে আপনারা আরো একটি option দেখবেন “Experiments” বলে। সোজা “Experiments” এ ক্লিক করুন।

স্টেপ ২.
এখন আপনারা দুটি আরো options দেখবেন। “Blocking Controls” এবং “Ad Balance” যেখান থেকে আপনাদের “Ad balance” অপশনে ক্লিক করতে হবে। 

স্টেপ ৩.

এখন আপনারা দুটি Options দেখবেন।
  • Current Setting
  • Experiment Settings.
আপনার এখানে খালি একটাই জিনিস করতে হবে। Experiment Settings থেকে Ad Fill Rate ৭০% থেকে ৮০% এর ভিতরে সেট করুন এবং নিচে “Create” অপশনে ক্লিক করুন।

স্টেপ ৪.
Create অপশনে ক্লিক করার পর আপনি Ad Balance Experiment এর Status দেখতে পারবেন। Running বলে লেখা আছে মানে আমার সেট করা Experiment এখনো চলছে এবং Pending লেখা থাকলে বুঝবেন আপনার অপারেশন সাবমিট করা হয়েছে এবং কিছু সময়ের মধ্যে এক্সপেরিমেন্টটা রানিং হয়ে যাবে।

এতে আপনার এডসেন্স বিজ্ঞাপনের Fill Rate ৭০ থেকে ৮০% যেটাই আপনি বেঁচে নিয়েছেন সেই হিসাবে সেট হয়ে যাবে। মানে কেবল ৭০% থেকে ৮০% High Paying Ads আপনার ব্লগে দেখানো হবে।

ফলে, আপনার ব্লগ বা আর্টিকেলে কেবল High CPC এবং সব থেকে বেশি টাকা দেয়া বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। ফলে আপনার এডসেন্স ইনকাম অনেক পরিমানে বৃদ্ধি পাবে যেমন আমার ক্ষেত্রে হয়েছে।

আপনি ৭০% থেকে ৭৫% মধ্যে আলাদা আলাদা Fill Rate সেট করে Experiment করে দেখতে পারেন। যে ক্ষেত্রে আপনার এডসেন্স আর্নিং সবথেকে বেশি হবে সেটাই সেট করে রাখতে পারবেন।

শেষ কথা,

মনে রাখবেন, কিছু সাধারণ এবং সহজ উপায় ব্যবহার করে আমরা Google Adsense এর ইনকাম বা আয়ের সংখ্যা বাড়িয়ে নিতে পারি। আমি নিজেই আমার ইনকাম বৃদ্ধি করেছি এই নিয়ম গুলি ব্যবহার করে যার প্রমান আমি ওপরে Screenshot এর মাধ্যমে দেখিয়েছি। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বা ভিসিটর সংখ্যা অনেক কম তাহলেও কোনো কথা নেই। Experiments এর Ad Balance প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনারা কম ট্রাফিক এ ভালো আয় করতে পারবেন।
ওয়াই-ফাই স্পিড বাড়ানোর সহজ কিছু উপায়

ওয়াই-ফাই স্পিড বাড়ানোর সহজ কিছু উপায়


আমরা অনেকেই ইন্টারনেটের ধীর গতি নিয়ে বিরক্ত বোধ করি। ওয়াই-ফাই সংযোগে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চাইলেও অনেক সময় দেখা যায় সংযোগ রয়েছে কিন্তু গতি একেবারেই নেই। অর্থাৎ ইন্টারনেট স্পিড নেই। তবে এই সমস্যা হতে খুব সহজেই মুক্তি মিলতে পারে! চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে ওয়াই-ফাই স্পিড বাড়াবেন-



১. রাউটারের লোকেশন পরিবর্তন করুণ:
ওয়াই-ফাই সংযোগের গতি বাড়াতে হলে প্রথমেই আপনাকে রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন বা অবস্থানের মাঝে সমন্বয় রক্ষা করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, রাউটার বাড়ির ভিতরে আসা ইন্টারনেট তারের খুব কাছাকাছি রাখা হয়ে থাকে। এটা মোটেও উচিত নয়। আবার অনেক সময় রাউটারের অ্যান্টেনার অবস্থান ঠিক করে রাখা হয় না। যে কারণে অ্যান্টেনার থেকে সব দিকে সংকেত পাঠানো এবং রিসিভ করা সম্ভব হয় না। সে কারণে রাউটারকে এমন স্থানে রাখা উচিত, যাতে রাউটারটি সবদিকে সংকেত পাঠাতে পারে অথবা সংকেত রিসিভ করতে পারে।

২. ওয়্যারলেস রাউটারে উন্নত অ্যান্টেনা যোগ করা:
অনেক সময় রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন করেও ইন্টারনেটের গতি উন্নত বা বাড়ানো সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে কর্মক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অ্যান্টেনা পরিবর্তন করতে পারেন। রাউটারের চারপাশে যদি অনেক দেওয়াল বা অনেক বাধা থাকে তবে সেক্ষেত্রে একটি এক্সটারনাল অ্যান্টেনা রাউটারের সামনে বা সঠিকভাবে ব্যবহার করে রাউটারের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। কারণ রাউটারের কার্যক্ষমতা বাড়লে ইন্টারনেটের স্পিডও বাড়বে।

৩.ওয়্যারলেস রিপিটার যোগ করুণ:
আপনি ইচ্ছে করলে রাউটারে নেটওয়ার্কের পরিসীমা বাড়ানোর জন্য একটি ওয়্যারলেস রিপিটারের সাহায্য নিতে পারেন। এই রিপিটার রাউটার এবং সংযুক্ত ডিভাইসের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। কম দামে বাজারে এমন অনেক ভালো ভালো রিপিটার পেয়ে যাবেন।

৪. ব্যাকগ্রাউন্ডের ডেটা ডাউনলোড বন্ধ করা:
অনেক সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা একাধিক কাজের জন্য ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের গতি স্লো হতে পারে। ব্যবহারকারী কম্পিউটার, ট্যাবলেট বা ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে যদি একাধিক ট্যাব একইসঙ্গে চলতে থাকে তবে ইন্টারনেটের গতি এমনিতেই কমে যাবে। সেক্ষেত্রে ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে হলে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন বা ট্যাব বন্ধ করতে হবে। তাহলে দেখবেন ইন্টারনেটের স্পিড আগের থেকে অনেক বেড়েছে। তাছাড়াও অনেক সময় ইন্টারনেটের গতি কমে গেলে রাউটারটি রিস্টার্ট দিয়ে নিলেও কাজ হয়। রাউটারটি রিস্টার্ট দিলে আবার গতি স্বাভাবিক ভাবে কাজ করে।